• শিরোনাম

    গুলশান হামলার অভিযোগপত্র যাচ্ছে সন্ত্রাস বিরোধী ট্রাইব্যুনালে

    নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৭ জুলাই ২০১৮

    গুলশান হামলার অভিযোগপত্র যাচ্ছে সন্ত্রাস বিরোধী ট্রাইব্যুনালে

    পযর্বেক্ষণ শেষে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) সাইফুজ্জামার হিরো মামলাটি সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনালে  পাঠানোর আদেশ দেন বলে ঢাকার আদালতে পুলিশের অপরাধ, তথ্য ও প্রসিকিউশন বিভাগের অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ আনিসুর রহমান জানিয়েছেন। আগামী রবিবার অভিযোগপত্রসহ মামলার নথি ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর হবে। ট্রাইব্যুনাল অভিযোগপত্রটি পযর্বেক্ষণ এবং রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের শুনানি শেষে  মামলা আমলে নেবেন। সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনালে জজ হিসেবে রয়েছেন মুজিবুর রহমান।

    সন্ত্রাসবিরোধী আইনের এ মামলার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনূর্ধ্ব ২০ বছর কারাদণ্ড। এই মামলা থেকে আবুল হাসনাত রেজাউল করিমের অব্যাহতির আবেদনের শুনানিও হবে ট্রাইব্যুনালে। নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এই শিক্ষক সন্ত্রাসবিরোধী আইনের এই মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে  এখনও কারাগারে রয়েছেন। তার পক্ষে বৃহস্পতিবারও জামিনের আবেদন জানানো হয়েছিল ঢাকার মহানগর হাকিম আদালত। তবে হাকিম ফাহাদ বিন আমিন চৌধুরী সেই আবেদন নাকচ করেন বলে হাসনাতের আইনজীবী হাসিব উর রশীদ জানিয়েছেন।

    মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের পরিদর্শক হুমায়ুন কবীর অভিযোগপত্রে আট আসামির মধ্যে ছয়জন কারাগারে এবং দুজন পলাতক বলে উল্লেখ করেছেন। কারাগারে থাকা ছয় আসামি হলেন- জাহাঙ্গীর আলম ওরফে রাজীব গান্ধী, রাকিবুল হাসান রিগান, রাশেদুল ইসলাম ওরফে র‌্যাশ, সোহেল মাহফুজ, মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজান এবং হাদিসুর রহমান সাগর। পলাতক দুই আসামি হলেন- শহীদুল ইসলাম খালেদ ও মামুনুর রশিদ রিপন। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্রে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা চাওয়া হয়েছে।

    বিচার প্রক্রিয়ার শুরুতে পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার করা গেল কি না, পুলিশের কাছে সেই প্রতিবেদন চাওয়া হবে। প্রতিবেদন চাওয়া হবে তাদের সম্পত্তি ক্রোকের পরোয়ানার বিষয়েও। শুনানির সময় কারাগারে থাকা আসামিদেরও ট্রাইবুনালে হাজির করা হবে। এই হামলায় জড়িত হিসেবে মোট ২১ জনকে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। এর মধ্যে ১৩ জন বিভিন্ন অভিযানে নিহত হওয়ায় তাদের অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করেছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।

    এর মধ্যে পাঁচজন হলি আর্টিজান বেকারিতে কমান্ডো অভিযানেই নিহত হয়েছিলেন, যারা হামলায় সরাসরি অংশ নিয়েছিলেন।ওই পাঁচজন হলেন- রোহান ইবনে ইমতিয়াজ, মীর সামেহ মোবাশ্বের, নিবরাজ ইসলাম, শফিকুল ইসলাম ওরফে উজ্জ্বল ও খায়রুল ইসলাম ওরফে পায়েল। বিভিন্ন ‘জঙ্গি আস্তানায়’ অভিযানে নিহতরা হলেন- তামীম আহমেদ চৌধুরী, নুরুল ইসলাম মারজান, তানভীর কাদেরী, জাহিদুল ইসলাম ওরফে মুরাদ, রায়হান কবির তারেক, সারোয়ান জাহান মানিক, বাশারুজ্জামান ওরফে চকলেট ও মিজানুর রহমান ওরফে ছোট মিজান।

     

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১
    ১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
    ১৯২০২১২২২৩২৪২৫
    ২৬২৭২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে daynightbd.com