• শিরোনাম

    ঢাকায় এসে যুবক খুন

    নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮

    ঢাকায় এসে যুবক খুন

    রাজধানীর বাড্ডা থেকে মনিরুজ্জামান মনির (৩৫) নামে এক যুবকের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার গলায় ও পেটে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। গতকাল সকালে সাতারকুল ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইউআইইউ) পশ্চিম পাশের ফাঁকা জায়গায় তার লাশ পাওয়া যায়। পরে লাশের ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) মর্গে পাঠানো হয়।

    বাড্ডা থানার এসআই শহিদুল আলম জানায়, খবর পেয়ে মনিরের গলা কাটা লাশ উদ্ধার করা হয়। তার পরনে ছিল সাদা শার্ট ও ছাই রংয়ের প্যান্ট। রাতের যে কোন সময় তাকে হত্যা করা হয়েছে। জানা গেছে, তার বাবার নাম ওয়ারেছ সরদার এবং মায়ের নাম মনোয়ারা বেগম। বাড়ি দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ থানার মনিরামপুরে। নিহতের স্ত্রীর নাম কাজল রেখা। ওই দম্পতির দুই ছেলে রয়েছে।

    বাড্ডা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কাজী আবুল কালাম জানান, মনির পেশায় রং মিস্ত্রি। তিনি ফেনীর খয়রা এলাকায় কাজ করতেন। তাকে কে বা কারা হত্যা করছে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তবে নিহতের ভাই আজমল হক মিন্টু বলেন, তার হত্যার পেছনে রং মিস্তিরিরা জড়িত থাকতে পারে। এছাড়া তার কাছে ২০/২৫ হাজার টাকা ছিল। এজন্য ছিনতাইকারীর কবলে পড়েও এ ঘটনা ঘটতে পারে।

    পৃথক ঘটনায় চারজনের মৃত্যু

    রাজধানীতে পৃথক ঘটনায় চারজনের মৃত্যু হয়েছে। তারা হলেন- উত্তরা পশ্চিমে আলী মিয়া (৭১), খিলগাঁওয়ে বাবলু মিয়া (৩০), মুগদায় উলেমা খাতুন (২০) ও লালবাগে হানিফ (৫০)।

    উত্তরা পশ্চিম থানার এসআই মুশফিকুর রহমান জানায়, উত্তরা ৭ নম্বর সেক্টরের ৮ নম্বর রোডের ২/ই নম্বর বাসায় নিরাপত্তারক্ষী হিসেবে কর্মরত ছিলেন আলী। শুক্রবার রাতে ডিউটি করা নিয়ে অপর নিরাপত্তারক্ষীর সঙ্গে তার ঝগড়া ও হাতাহাতি হয়। হাতাহাতির এক পর্যায়ে সিঁড়িতে পড়ে গিয়ে আলীর মৃত্যু হয়। আলী পড়ে গিয়ে মারা গেছেন না অন্য কোনভাবে তার মৃত্যু হয়েছে তা ময়নাতদন্তের রিপোর্টে স্পষ্ট হবে। জানা গেছে, মৃতের বাড়ি চাঁদপুরের শাহারাস্তি থানার বাটুনিখোলায়। তুরাগের রানাভোলা এলাকায় থাকতেন।

    খিলগাঁও থানার এসআই এমদাদুল হক জানান, জমি বিক্রির টাকা ভাগাভাগি নিয়ে ভাইদের সঙ্গে মনোমালিন্য হলে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন বাবলু। খিলগাঁও উত্তর গোড়ান আইসক্রিম গলির একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটে। তার বাড়ি চাঁদপুরের উত্তর মতলবে।

    মুগদা থানার এসআই শামীম আকতার জানান, গতকাল ভোরে মুগদার ‘জাতীয় নার্সিং উচ্চ শিক্ষা গবেষণা প্রতিষ্ঠান’র ২য় তলা থেকে উলেমা খাতুনের লাশ উদ্ধার করা হয়। তিনি ওই প্রতিষ্ঠানের পরিচ্ছন্নকর্মী ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক প্রতিবন্ধী ও অসুস্থতায় ভুগছিলেন। এই হতাশা থেকে শুক্রবার রাতে ভবন থেকে লাফিয়ে আত্মহত্যা করেন। তার বাবার নাম তোফাজ্জল হক। বাড়ি চাপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ থানার মনোহরপুরে।

    এদিকে, লালবাগ থানার এসআই মোতালেব হোসেন জানান, শুক্রবার বিকালে লালবাগ শহীদনগর ৪নং গলির একটি বাসায় পারিবারিক বিষয় নিয়ে হতাশাগ্রস্থ হয়ে বিষপান করেন হানিফ। পরে স্বজনরা তাকে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে মারা যান। তিন বছর ধরে দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত ছিলেন হানিফ। তার স্ত্রীও তাকে ছেড়ে চলে যায়। এই হতাশা থেকেই তিনি বিষপানে আত্মহত্যা করতে পারেন।

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১
    ১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
    ১৯২০২১২২২৩২৪২৫
    ২৬২৭২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে daynightbd.com