• শিরোনাম

    দুই মাস নিষেধাজ্ঞার পর, ভোলার জেলারা মাছ শিকারে

    কামরুজ্জামান শাহীন | ০১ মে ২০১৮

    দুই মাস নিষেধাজ্ঞার পর, ভোলার জেলারা মাছ শিকারে

    জাটকা সংরক্ষণ ও ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধিতে মার্চ-এপ্রিল দুই মাস নিষেধাজ্ঞা থাকায় ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ ছিল। নিষেধাজ্ঞা থাকায় তারা নদীতে জাল পেলেনি। নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ায় জেলেরা ফের নদীতে মাছ শিকারে নেমেছেন।মঙ্গলবার (১ মে) ভোর থেকে মাছ ধরার সরঞ্জাম নিয়ে নদীতে নামছেন জেলেরা। এখন মাছ ধরতে বাঁধা নেই। শত-শত নৌকা-ট্রলার নিয়ে হাজার-হাজার জেলে ছুঁটছেন নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ায় নদীতে মাছ শিকারে।

    জেলা মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, মার্চ-এপ্রিল দুই মাস মেঘনা-তেঁতুলিয়া নদীর ১৯০ কিলোমিটার এলাকায় ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ ছিলো। নিষেধাজ্ঞাকালীন সময়ে ভোলার জলসীমায় ১০০ মেট্রিক টন জাটকা রক্ষা হয়েছে। এ থেকে প্রায় ২০০ মেট্রিক টন ইলিশ উৎপাদন হবে।

    জানা যায়, নিষেধাজ্ঞাকালীন সময়ে জেলার ৭উপজেলা থেকে মৎস্য বিভাগ, পুলিশ ও কোস্টগার্ড নিয়ে সর্বমোট ৩৮৪টি অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসব অভিযানে মাছ ধরার অপরাধে ২৩০ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড এবং ১৭ লাখ টাকা ৯৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। এছাড়াও ৪ কোটি ৪৯ লাখ টাকার মূল্যের ১৫ লাখ ৫০ হাজার মিটার জাল ও দুই মেট্রিক টন ইলিশ এবং ৩২টি ট্রলার জব্দ করা হয়েছে।

    এ বিষয়ে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো.রেজাউল বলেন, সদর উপজেলায় মোট ৬৫টি অভিযানে ১১৩ জেলের কারাদন্ড, ১১ লাখ টাকা জরিমানা এবং চার লাখ মিটার জাল জব্দ করা হয়েছে। বিগত বছরের চেয়ে এ বছর মৎস্য অভিযান সফল হয়েছে। এ বছর ১০০ মেট্রিক টন ইলিশ রক্ষা পেয়েছে, যা থেকে উৎপাদন হবে ২০০ মেট্রিক টন ইলিশ।

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    বে-রসিক ইউএনও!

    ১২ মার্চ ২০১৭

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১
    ১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
    ১৯২০২১২২২৩২৪২৫
    ২৬২৭২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে daynightbd.com