• শিরোনাম

    ইয়াবা উদ্ধারসহ গ্রেফতার ৪

    ব্যবসায়ী থেকে ইয়াবা সম্রাট আলম

    নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৫ মার্চ ২০১৮

    ব্যবসায়ী থেকে ইয়াবা সম্রাট আলম

    রাজধানীর হাজারীবাগ থানার মধুরবাজার এলাকার একটি বাড়ি থেকে ‘ইয়াবা সম্রাট’ আলমসহ ৪ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। আলমের অন্য তিন সহযোগী হলো- জসিম উদ্দিন (২৩), সালাউদ্দিন (২৭) ও মিজানুর রহমান (৩৩)। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১ লাখ ২৩ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ইয়াবা বিক্রির ৮১ হাজার টাকা, ৭টি মোবাইল ফোন, ব্যবসায়ের তিনটি টালি খাতা জব্দ করা হয়।

    র‌্যাব বলছে, চিংড়ি মাছের পোনা, কটেজ ও জমি বিক্রির ব্যবসা করে উন্নতি করলেও অতি লোভে আলম এক সময় ইয়াবা বিক্রি শুরু করে। মিয়ানমার থেকে ইয়াবার চালান এনে কক্সবাজারের কলাতলীর শামীম গেস্ট হাউজে মজুদ রাখত। ৪ বছর ধরে এভাবেই দেশজুড়ে আলম ইয়াবার বড় একটি সিন্ডিকেট গড়ে তোলে। জব্দ ইয়াবার মূল্য প্রায় চার কোটি টাকা। এ ঘটনায় ধানমন্ডি থানায় মামলা করা হয়েছে।

    আজ রাজধানীর কারওরান বাজারে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব-২ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল আনোয়ার-উজ-জামান বলেন, কক্সবাজারের কলাতলিতে চিংড়ি মাছের পোনা, কটেজ ও জমি বিক্রয়সহ বিভিন্ন ব্যবসা করতেন আলম। এক সময় নতুন-পুরাতন গাড়ি বিক্রির ব্যবসাও করেছেন তিনি। ব্যবসায় উন্নতি করলেও অতি লোভে এক সময় ইয়াবা বিক্রি শুরু করেন। মিয়ানমারের এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে যোগাযোগ করে ইয়াবার চালান এনে কক্সবাজারের কলাতলীর শামীম গেস্ট হাউজে মজুদ করে রাখত। এরপর নানা কায়দায় এসব চালান ঢাকায় আনতেন। এভাবেই দেশজুড়ে ইয়াবার বড় একটি সিন্ডিকেট গড়ে তুলে ‘ইয়াবা সম্রাট’ বনে যায় আলম।

    র‌্যাব কর্মকর্তা আনোয়ার বলেন, নিজের রেন্ট-এ কার ব্যবসার আড়ালে গাড়িতে করে দেশের বিভিন্ন জেলায় ইয়াবা সরবরাহ করতো আলম। সে কখনও এক লাখের নিচে ইয়াবার চালান আনতো না। এভাবেই চিংড়ির পোনার ব্যবসায়ী থেকে হয়ে ওঠেন ইয়াবা সম্রাট। আলমের ছোট ভাই জসিম উদ্দিনকে ধানমন্ডিতে একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে দেয় এবং সেখানে ইয়াবাসেবীদের আড্ডা বসাতো। এছাড়া ওই ফ্ল্যাট থেকেই পাইকারিতে ইয়াবা নিয়ে যেত খুচরা বিক্রেতারা। মূলত আলমের দ্বারা প্রভাবিত হয়েই গ্রেফতারকৃত জসিম, সালাউদ্দিন ও মিজানুর ইয়াবা বিক্রিতে জড়িয়ে পড়ে।

    ইয়াবা কারখানার সন্ধান-কামরাঙ্গীরচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিন ফকির জানান, বুধবার রাতে কামরাঙ্গীরচরের ঝাউলাহাটীর একটি বাড়ি থেকে তিন বোতল মদ, ইয়াবা তৈরির মেশিন, বিপুল পরিমাণ উপাদানসহ প্রস্তুতকৃত ১২৩ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ সময় ইমু আক্তার (২৪) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। বাড়ির মালিক শহিদুল্লাহ ও গ্রেফতারকৃত ইমুর স্বামী আলমগীর পরস্পর যোগসাজশে ইয়াবা ট্যাবলেট প্রস্তুত করে বিক্রি করতো। তারা দু’জনই পলাতক। তাদের ধরতে অভিযান চলছে।

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    ওষুধে ঘুম নয়

    ২০ মার্চ ২০১৭

    গলায় কাঁটা বিঁধলে করণীয়

    ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৭

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১
    ১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
    ১৯২০২১২২২৩২৪২৫
    ২৬২৭২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে daynightbd.com