• শিরোনাম

    হবিগঞ্জের বৃন্দাবন কলেজে ‘ছাত্রলীগের দুপক্ষে’ সংঘর্ষ, আহত ১০

    হবিগঞ্জ প্রতিনিধি | ৩০ জুন ২০১৮

    হবিগঞ্জের বৃন্দাবন কলেজে ‘ছাত্রলীগের দুপক্ষে’ সংঘর্ষ, আহত ১০

    হবিগঞ্জের বৃন্দাবন সরকারি কলেজে আজ শনিবার দুপুরে উচ্চমাধ্যমিক প্রথম বর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তি নিয়ে ‘ছাত্রলীগের দুই পক্ষে’ সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। এতে বন্ধ হয়ে যায় স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের দুটি পরীক্ষা। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, সারা দেশের ন্যায় হবিগঞ্জের বৃন্দাবন সরকারি কলেজেও বর্তমানে উচ্চমাধ্যমিক প্রথম বর্ষে ভর্তি প্রক্রিয়া চলছে। এ ভর্তির ক্ষেত্রে ছাত্রলীগের কিছু নেতা কে কার সমর্থককে আগে ভর্তি করাবেন এ নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। বেলা দেড়টার দিকে ওই সংঘর্ষ শুরু হয়। কলেজ ক্যাম্পাসে একপক্ষ অপর পক্ষকে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া করে। এ সময় সংঘর্ষকারীদের লাঠিসোঁটা, ধারালো অস্ত্র ও ইটপাটকেল ব্যবহার করতে দেখা যায়।

    কলেজ কর্তৃপক্ষ বলছে, সংঘর্ষকারীরা কলেজের একাডেমিক ভবনের বেশ কয়েকটি দরজা, জানালা ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করেন। আধা ঘণ্টা স্থায়ী এ সংঘর্ষে আশপাশের সকল দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়। পাশাপাশি কলেজ রোডে কিছু সময়ের জন্য যানচলাচলও বন্ধ থাকে। খবর পেয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। কিন্তু পুলিশের সামনেই সংঘর্ষ চলতে থাকে। এতে অন্তত ১০ জন আহত হন বলে জানা যায়। আহতদের বেশির ভাগ ছাত্রলীগের কর্মী বলে জানা গেছে। তাদের হবিগঞ্জ আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। আহতদের মধ্যে ছাত্রলীগ কর্মী কায়সার আহমেদ, সাজন চৌধুরী ও রাকেশ চন্দ্রের নাম জানা গেছে।

    এদিকে আজ বেলা ২টায় বৃন্দাবন সরকারি কলেজের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের অর্থনীতি ও উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিষয়ের পরীক্ষা ছিল। কিন্তু বেলা দেড়টা থেকে ২টা পর্যন্ত সংঘর্ষ চলে পরীক্ষার্থীরা অনেকেই ভয়ে কলেজ ক্যাম্পাসে ঢুকতে পারেননি। আবার অনেকে ভয়ে পরীক্ষার হল থেকে বের হয়ে আসেন। ফলে কলেজ কর্তৃপক্ষ এসব পরীক্ষা স্থগিত করেন। বৃন্দাবন কলেজের অধ্যক্ষ এলিয়াছ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, সংঘর্ষকালে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভীতি দেখা দেয়। এতে অনেকেই কলেজে আসতে পারেননি। যে কারণে পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

    জানতে চাইলে হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাইদুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মহিবুর রহমান মাহী আলাদা আলাদাভাবে  জানান, কলেজে ভর্তি নিয়ে আধিপত্য দেখাতে গিয়ে শহরের সুলতান মাহমুদপুর ও রাজনগর এলাকার শিক্ষার্থীদের মধ্যে ওই সংঘর্ষ হয়। এখানে ছাত্রলীগের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াছিনুল হক বলেন, কী নিয়ে এ সংঘর্ষ, তা পুলিশের কাছে পরিষ্কার নয়। তবে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে বলে তিনি দাবি করেন।

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    বে-রসিক ইউএনও!

    ১২ মার্চ ২০১৭

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১
    ১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
    ১৯২০২১২২২৩২৪২৫
    ২৬২৭২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে daynightbd.com