• শিরোনাম

    ১০ দিনেও পরিচয় মেলেনি খন্ডিত লাশের 

    নিজস্ব প্রতিবেদক | ২১ এপ্রিল ২০১৮

    ১০ দিনেও পরিচয় মেলেনি খন্ডিত লাশের 

    রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় একটি টলি ব্যাগ থেকে অজ্ঞাত (২০) নামে এক তরুণীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এঘটনায় ১০ দিন পেরিয়ে গেলেও ওই তরুণীর পরিচয় না পাওয়ায় হত্যাকান্ডের কারণ এবং জড়িতদের খুঁজে বের করতে পারেনি পুলিশ। ১১ এপ্রিল যাত্রাবাড়ীর কুতুবখালী প্রধান সড়ক একটি ট্রলি ব্যাগের ভেতর থেকে ওই তরুণীর মৃতদেহের খন্ডাংশ উদ্ধার করা হয়। তরুণীর দেহের কোমর থেকে নিচের অংশ ব্যাগে ভরা ছিল। এ ঘটনায় যাত্রাবাড়ী থানায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা করে। কিন্তু আজ রবিবার পর্যন্ত মামলার তদন্তের নেই কোনো অগ্রগতি।

    যাত্রাবাড়ী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) তোফায়েল আহমেদ বলেন,ওই তরুণীর দেহের উপরের অংশ পাওয়া যায়নি। কোনো পোশাকও ছিল না। কেউ থানায় এসেও অভিযোগও করেনি। তাই কোনো ক্লু পাওয়া যাচ্ছে না। যে স্থানে ব্যাগটি পাওয়া গিয়েছিল ওই এলাকার বাসিন্দা ফারুক নামে একজন বলেন, সম্ভবত নিহত নারী অন্য কোনো এলাকার। হত্যার পর ব্যাগে ভরে কোনো গাড়িতে এনে লাশের খন্ডাংশ এখানে রেখে যায়। তিনি বলেন,সেদিন সড়কের পাশে একটি বড় ব্যাগ দেখে মানুষ জড়ো হয়। একজন কৌতূহলবশত ব্যাগের চেইন খুলতেই মৃতদেহ দেখতে পায়।

    ফারুক বলেন, যে ব্যাগটি ছিল, তা ভ্রমণের সময় ব্যবহার করা হয়। এই ধরনের ব্যাগ বহন করলে কারও সন্দেহ হওয়ার কথা নয়। ব্যাগটি কুতুবখালী রাস্তার দক্ষিণপাশে ছিল। এখানে সিলেট, কুমিল্লা, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলা থেকে আসা বাস থেকে মানুষ নামে। এ থেকে ফারুকের ধারণা, অন্য কোথাও হত্যার পর লাশের খন্ডাংশ মহাসড়কের পাশে এনে ফেলা হয়।

    ডেমরা জোনের জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ কমিশনার ইফতেখারুল ইসলাম বলেন,যেহেতু তরুণীর মুখমন্ডলের অংশটুকু পাওয়া যায়নি। তাই তার পরিচয় শনাক্ত করাও সম্ভব হয়নি। আমরা মরদেহের বাকি অংশ খুঁজছি এবং নিহতের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। পরিচয় পাওয়া গেলে হত্যাকান্ডের কারণ জানা যাবে। তবে হত্যাকারীকে ধরতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। তিনি বলেন, মামলার তদন্ত না এগোলেও পুলিশ বসে নেই,প্রতিদিন ফলোআপ করছি-দেহের বাকি অংশ দেশের কোথাও পাওয়া গেল কি না। সারা দেশের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে মেসেজ দেওয়া হয়েছে।

    এর আগে গত ৯ এপ্রিল রাতে সবুজবাগে সুটকেসের ভেতর থেকে এক ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে লাশটি জনশক্তি রপ্তানিকারক শাহ আলমের বলে পরিচয় শনাক্ত হয়। তবে আজ পর্যন্ত এ ঘটনায় জড়িত কাউকে শনাক্ত করে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। নিহতের জামাতা আশিক জানান, রবিবার বিকেলে একটি ফোন পেয়ে বাসা থেকে বেড় হয়ে যান শাহ আলশ। এরপর তার খোঁজ পাওয়া যায়নি। পরে লাশ উদ্ধারের খবর পেয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে লাশ শনাক্ত করা হয়। সবুজবাগ থানার ওসি আবদুল কুদ্দুস ফকির জানান, আমরা ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছি।

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১
    ১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
    ১৯২০২১২২২৩২৪২৫
    ২৬২৭২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে daynightbd.com