• শিরোনাম

    ১২ জেলায় দুর্ঘটনায় শিশুসহ ৩৯ জনের মৃত্যু

    ডেনাইট ডেস্ক | ২৪ জুন ২০১৮

    ১২ জেলায় দুর্ঘটনায় শিশুসহ ৩৯ জনের মৃত্যু

    এছাড়া সাভারের আমিনবাজারে বাস ও ট্রাকের সংঘর্ষে একজন, টাঙ্গাইলের সখীপুরে বাসের ধাক্কায় এক মোটরসাইকেল আরোহী এবং চুয়াডাঙ্গা ও নরসিংদীতে  মোটরসাইকেলের ধাক্কায় দুই পথচারী, ফেনীতে বাস-পাওয়ার ট্রলি সংঘর্ষে এক যুবক এবং নেত্রকোণা বাস-মাহেন্দ সংঘর্ষে এক কিশোর  নিহত হয়েছেন। এসব দুর্ঘটনায় আরও অর্ধ শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট থানা ও ফাঁড়ির পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতদের সবার নাম পরিচয় জানা যায়নি। পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, নিহতদের মধ্যে কেউ কেউ আছেন, যারা ঈদের পর বাড়তি ছুটি কাটিয়ে রাতের বাসে কর্মস্থলে ফিরছিলেন। আবার কেউ চিকিৎসার জন্য যাচ্ছিলেন হাসপাতালে।

    গাইবান্ধা

    গাইবান্ধার পলাশবাড়িতে রাস্তার পাশের গাছের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে একটি বাস উল্টে অন্তত ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে; আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৪০ জন। শনিবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার ব্র্যাক মোড়ের কাছে বাঁশকাটা (গরুরহাট) এলাকায় রংপুর-ঢাকা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে গোবিন্দগঞ্জ হাইওয়ে থানার ওসি আকতারুজ্জামান জানান। তিনি বলেন, ঢাকা থেকে ঠাকুরগাঁও জেলার রানীশংকৈলের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা আলম এন্টারপ্রাইজ পরিবহনের বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের বাঁ পাশে বড় একটি রেইনট্রি গাছের সঙ্গে ধাক্কা খায় এবং উল্টে যায়।

    এতে বাসটির সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়; ঘটনাস্থলেই নিহত হন সাতজন। পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোর পর আরও ১১ জনের মৃত্যু হয়। ওসি জানান, আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে রংপুর ও বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ১৫জনের পরিচয় পাওয়া গেছে।

    এরা হলেন ঠাকুরগাঁও সদরের দেহন আলোকার আব্দুস সোহবানের ছেলে রহিম মিয়া (২৯), একই এলাকার মোসলেম উদ্দিনের ছেলে এনামুল হক (২৪), পারপূচী এলাকার খাজির উদ্দিনের ছেলে মকবুল হোসেন (৪৫), হরিপুর উপজেলার খলড়া গ্রামের আব্দুর সুকুরের ছেলে ইসমাইল হোসেন রুবেল (২৭),  একই উপজেলার বীরগড় গ্রামের অজিন চন্দ্র রায়ের ছেলে বিশ্বনাথ (৩৫), টাঙ্গাইল সদরের আলোকদিয়া এলাকার জোরহান আলীর ছেলে শাহজান সিকদার (৪৭), রংপুরের গংগাচড়া উপজেলার জয়দেবপুর গ্রামের মফিজ উদ্দিনের ছেলে এমদাদ আলী (৬৫), গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার বড়গোপালপুর গ্রামের কছিম উদ্দিনের ছেলে ইউনুস আলী (৫৪),

    নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার পাঠান পাড়ার নিল খানের ছেলে মিনারুল খাঁন (২০), কুড়িগ্রামের রাজীবপুর উপজেলার হাসপাতাল মোড়ের মাসুদ রানা (৪৫), কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার হোসেনাবাদ গোবিন্দগুনিয়া গ্রামের বাহার প্রামানিকের ছেলে আবদুর রশিদ (৬৫), পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার গোমস্তাপাড়া গ্রামের আতাউর রহমানের ছেলে জহিরুল ইসলাম (২৩), টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বিন্নাযার এলাকার আব্দুল জোব্বারের ছেলে রুবেল মিয়া (২৬), দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার দাড়িয়াপুর গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে আখতারুল ইসলাম (৪৮) এবং গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ধুমাইটারী গ্রামের হাফিজ উদ্দিন (৫২)।

    এর মধ্যে ১৪ জনের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আর হাফিজ উদ্দিনের লাশ রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রয়েছে। নিহতদের অধিকাংশই পেশায় গরু ব্যবসায়ী, পোশাক শ্রমিক ও বিভিন্ন পেশার শ্রমিক বলে জানান ওসি। তিনি বলেন, নিহত ১৮ জনের মধ্যে বেলা ১টার দিকে আটজন ও বিকালে ছয়জনের লাশ স্বজনরা এসে শনাক্ত করেন। এরপর পরিবারের সদস্যর কাছে তাদের মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। অপর তিনজনের পরিচয় চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। পরিচয় শনাক্তের পর তাদের মরদেহ স্বজনদের হস্তান্তর করা হবে বলে জানান তিনি।

    দুর্ঘটনার কারণে সকালে প্রায় দেড় ঘণ্টা রংপুর-ঢাকা মহাসড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকে। উদ্ধারকর্মীরা দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি সরিয়ে নেওয়ার পর সড়কের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করে। পলাশবাড়ী থানার ওসি মো. মাহমুদুল আলম বলেন, দুর্ঘটনার বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, চালকের অসাবধনতা কিংবা ঘুমিয়ে পড়ার কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। বাসটি গোবিন্দগঞ্জ হাইওয়ে থানায় রাখা হয়েছে এবং এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি। পলাশবাড়ীর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. শাহিনুর আলম জানান, গাইবান্ধা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহত প্রত্যেকের পরিবারকে ১০ হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া হবে।

    রংপুর

    রংপুর সদর উপজেলার শলেয়াশাহ বাজারের কাছে রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বিআরটিসির একটি দোতলা বাসে ট্রাকের ধাক্কায় ছয়জন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার রাত ২টার দিকে এ দুর্ঘটনায় আরও ১৩ জন আহত হয়েছেন বলে তারাগঞ্জ হাইওয়ে থানার ওসি আবদুল্লাহ হেল বাকি জানান। তিনি বলেন, দিনাজপুর থেকে ছেড়ে আসা বিআরটিসির ঈদ স্পেশাল দোতলা বাসটি ঢাকা যাচ্ছিল। শলেয়াশাহ বাজারের কাছে এসে বাসের একটি চাকা ফেটে যায়। চালক ও চালকের সহযোগী তখন রাস্তার পাশে বাস থামিয়ে চাকা বদলাতে শুরু করেন। বাসের কিছু যাত্রীও নেমে এসে দাঁড়িয়ে দেখছিলেন।

    এমন সময় একটি বালুবাহী ট্রাক এসে পেছন থেকে বিআরটিসির বাসটিকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই ছয়জনের মৃত্যু হয়।খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট এসে আহতদের উদ্ধার করে তারাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। ওসি আবদুল্লাহ হেল বাকি বলেন, নিহতরা সবাই ছিলেন বাসের আরোহী। তাদের মধ্যে নিশাত ও সাজ্জাদ নামে দুইজনের পরিচয় জানা গেছে। দুজনেরই বয়স ২৫ থেকে ৩০ এর মধ্যে। সম্ভবত গার্মেন্টে কাজ করত। ঈদের ছুটি কাটিয়ে ঢাকায় কাজে ফিরছিল তারা।

    গোপালগঞ্জ

    গোপালগঞ্জে বাসচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী দুই এনজিও কর্মী নিহত হয়েছেন; আহত হয়েছেন আরও ১১ জন। শনিবার সকাল পৌনে ৮টার দিকে সদর উপজেলার ঘোনাপাড়ায় গোপালগঞ্জ-টুঙ্গিপাড়া সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে গোপালগঞ্জ সদর থানার এসআই শওকত হোসেন জানান। নিহতরা হলেন- বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা রিসোর্স ইন্টিগ্রেশন সেন্টারের (রিক) গোপালগঞ্জ অফিসের রেজিস্ট্রার ইমরান হোসেন (৩৮) ও মাঠ কর্মকর্তা পুলক ব্যাপারী (৩৪)। তাদের আরেক সহকর্মী রুবেল ফকিরসহ (৩৫) আহত ১১ জনকে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    রিকের হিসাবরক্ষক সাইফুল ইসলাম জানান, তার সহকর্মীরা ঈদের ছুটি শেষে মোটরসাইকেলে করে পিরোজপুর থেকে গোপালগঞ্জে ফিরছিলেন। পথে তারা দুর্ঘটনায় পড়েন। এস আই শওকত বলেন, বাগেরহাট থেকে ছেড়ে আসা গোপালগঞ্জগামী একটি লোকাল বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঘোনাপাড়ায় ওই মোটরসাইকলেকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই দুইজনের মৃত্যু হয়। আহত হন মোটরসাইকেলের অপর আরোহী ফকির। পরে ওই বাসটি একটি ভ্যান ও দাঁড়িয়ে থাকা অপর একটি বাসকে ধাক্কা দিয়ে পালানোর সময় সড়ক বিভাজকে আটকে যায়। এ সময় বাস ও ভ্যানের ১০ জন আহত হন।

    পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসকর্মীরা গিয়ে পরে সড়ক থেকে বাস দুটি সরিয়ে নেয়। এদিকে শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার দাসেরহাট এলাকায়  ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে বাস চাপায় এক ভ্যানচালকের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ১০ বাসযাত্রীও আহত হন বলে মুকসুদপুর থানার ওসি মোস্তফা কামাল পাশা জানান। নিহত ভ্যানচালক লোকমান শেখ (৫০) মুকসুদপুর উপজেলার হাকিমপুর গ্রামের ইসমাইল শেখের ছেলে। আহতদের মধ্যে ছয়জনকে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। ওসি জানান, খুলনা থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী হামীম পরিবহনের একটি বাস দাসেরহাটে বনফুল পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসকে পাশ কাটাতে গিয়ে ইঞ্জিনচালিত একটি ভ্যানকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান লোকমান। ভ্যানটি চাপা দেওয়ার পর বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে খাদে পড়ে গেলে আহত হন ১০ যাত্রী । খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা আহতদের উদ্ধার করে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পাঠায় বলে জানান ওসি।

    সিরাজগঞ্জ

    সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে ট্রাক ও বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ট্রাকের চালক ও সহকারীর মৃত্যু হয়েছে; এ ঘটনায় আহত হয়েছেন বাসের ১০ যাত্রী। শনিবার ভোরে রায়গঞ্জ উপজেলার কালিকাপুর এলাকায় বগুড়া-নগরবাড়ি মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে রায়গঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মোজাম্মেল হোসেন জানান। নিহতরা হলেন- ট্রাক চালক শরিফ উদ্দিন এবং তার সহকারী শফিকুল ইসলাম। তাদের দুজনেরই বাড়ি রায়গঞ্জ উপজেলার শ্যামনাই গ্রামে। ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা মোজাম্মেল বলেন, ঢাকা থেকে বগুড়াগামী আর কে পরিবহনের বাসটির সঙ্গে বালুবাহী একটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই ট্রাকের চালক ও সহকারীর মৃত্যু হয়। পরে আহত বাসযাত্রীদের উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ সদর ও রায়গঞ্জ উপজেলা হাসপাতালে পাঠানো হয় বলে জানান তিনি।

    নাটোর

    নাটোর শহরে বালুবোঝাই ট্রাকের ধাক্কায় দুই অটোরিকশা আরোহীর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে নাটোর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে সদর থানার ওসি মশিউর রহমান শিকদার জানান। নিহতরা হলেন নলডাঙ্গা উপজেলার সোনাপাতিল গ্রামের সুদিষ্ণু দেবনাথ (৫৫) ও তার প্রতিবেশী কানাইচন্দ্র (৩০)। সুদিষ্ণুর স্ত্রী ও মেয়েও এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন। তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    ওসি জানান, ওই চারজন সকালে অটোরিকশায় করে নাটোরের মিশন হাসপাতালে যাচ্ছিলেন চিকিৎসার জন্য। রাজশাহী থেকে নাটোরগামী একটি বালুবোঝাই ট্রাক পেছন থেকে ওই অটোরিকশাকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই দুজনের মৃত্যু হয়। নাটোর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন আকবর হোসেন জানান, তার চোখের সামনেই এ দুর্ঘটনা ঘটে। তিনি বলেন, দ্রুতগামী ট্রাকটা মুহূর্তের মধ্যে অটোরিকশাটাকে দুমড়ে-মুচড়ে দিয়ে চলে গেল। ওসি মশিউর রহমান শিকদার বলেন, দুর্ঘটনা ঘটিয়ে ট্রাক চালক দ্রুত তার গাড়ি নিয়ে ওই এলাকা থেকে চলে যায়। পুলিশ ট্রাকটি শনাক্ত করার চেষ্টা করছে।

    ফরিদপুর

    ফরিদপুরের ভাঙ্গায় তুহিন পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে দুই যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ২০ জন। তাদের ভাঙ্গা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শনিবার সকাল ৯টার দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে পূর্ব সদরদি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিসের জ্যেষ্ঠ স্টেশন মাস্টার সাইফুজ্জামান জানান।তিনি বলেন, সকাল ৯টার দিকে বরিশাল থেকে রাজশাহীগামী বাসটি সদরদি এলাকায় পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। বাসটি তখন রাস্তার পাশে খাদে পড়ে গেলে ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত হন। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ভাঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আহতদের উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ভাঙ্গা হাসপাতালে পাঠায় বলে জানান সাইফুজ্জামান। নিহত দুইজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি। তাদের লাশ ভাঙ্গা হাইওয়ে থানায় রয়েছে।

    টাঙ্গাইল

    টাঙ্গাইলের সখীপুরে বাসের ধাক্কায় এক মোটরসাইকেল আরোহীর প্রাণ গেছে। শনিবার দুপুরের দিকে সখীপুর-গোপীনপুর সড়কের তৈলধারা বটার মোড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে সখীপুর থানার ওসি এসএম তুহিন আলী জানান। নিহত আবদুল বাছেদ মিয়া (৩০) উপজেলার জিতাশ্বরী এলাকার আবদুল জব্বার মিয়ার ছেলে। ওসি জানান, বাছেদ মাছ ধরার জন্য মোটরসাইকেল নিয়ে সখীপুর থেকে চাপড়াবিলে যাচ্ছিলেন। বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বাসের সঙ্গে তার মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হলে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক বাছেদকে মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ বাসটি আটক করলেও চালক পালিয়ে গেছে বলে জানান ওসি।

     

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    বে-রসিক ইউএনও!

    ১২ মার্চ ২০১৭

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১
    ১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
    ১৯২০২১২২২৩২৪২৫
    ২৬২৭২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে daynightbd.com