• শিরোনাম

    প্রধানমন্ত্রীর নামে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খুলে অর্থ আত্মসাৎ,গ্রেফতার ৫

    নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯

    প্রধানমন্ত্রীর নামে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট  খুলে অর্থ আত্মসাৎ,গ্রেফতার ৫

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নামে ৩৬টি ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খুলে অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগে পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। গ্রেফতারকৃতরা হলো-ওমর ফারুক, সাব্বির হোসেন, আল আমিন, আমিনুল ইসলাম আমিন এবং মনির হোসেন। তাদের কাছ থেকে মোবাইল ও ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়েছে। গত বুধবার রাতে রাজধানীর মগবাজার, ডেমরা, মোহাম্মদপুর, সাভার ও কেরানীগঞ্জ থেকে এদের গ্রেফতার করা হয়।

    গতকাল দুপুরে র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এতথ্য জানান র‌্যাবের মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার মুফতি মাহমুদ খান। গত ১১ তারিখে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপের পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়ার পর র‌্যাব বিষয়টি নিয়ে মাঠে নামে।

    মুফতি মাহমুদ খান জানান, গ্রেফতারকৃতরা প্রধানমন্ত্রী, তার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, স্পিকারসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নামে ৩৬টি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খুলে দেশের উন্নয়নের পোস্ট দিতো। গ্রহণযোগ্যতা অর্জনের জন্য অ্যাকাউন্টগুলোতে সরকারের বিভিন্ন ধরনের উন্নয়নের ছবি পোস্ট করত। তাদের পোস্টগুলোতে একটা করে মোবাইল নম্বর দেয়া থাকত। পোস্টগুলো দেখে কেউ সমস্যা সমাধানে, কেউ অন্য কারণে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার জন্য ফোন করতেন। কিন্তু সব ফোন ধরতেন এই চক্রের সদস্যরা। প্রধানমন্ত্রীর মোবাইল পুরুষ রিসিভ করলো কেন? অনেকের এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতারকরা বলতো- তারা প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে কথা বলছেন।

    প্রধানমন্ত্রী তাদের দায়িত্ব দিয়েছেন ফেসবুকে অ্যাকাউন্টগুলো ম্যানেজ করার জন্য। এসব অ্যাকাউন্ট থেকে বিভিন্ন রকমের গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করে সেগুলো প্রধানমন্ত্রীকে অবগত করা হয়। এরপর তারা আর কোনো কথা বলতো না। সিকিউরিটির কারণে তারা বিস্তারিত কথা বলার জন্য ফেসবুক ইনবক্সে নক করতে বলতো। ইনবক্সে কথোপকথনের মাধ্যমেই আসামিরা কাউকে চাকরির, কাউকে অন্যান্য প্রলোভন দিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করে আসছিল। এরা প্রতারণাকে শিল্পতে পরিণত করেছে।

    র‌্যাব জানায়,গ্রেফতার হওয়া সাব্বির পেশায় সাইবার যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ। তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাস দমন আইনে ২টি ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে ৪টি মামলা রয়েছে। সে তারেক জিয়া সাইবার ফোর্স, দেশনেত্রী সাইবার ফোরাম পেজের অ্যাডমিন ছিলো। সম্প্রতি সে অসৎ উদ্দেশ্যে ওই ফেইজগুলোতে শেখ হাসিনার পরামর্শ ও সায়মা ওয়াজেদ পুতুল নাম সংযোজন করে তাতে নিরাপদ সড়ক চাই ও কোটা সংস্কার আন্দোলনের উস্কানিমূলক ভিডিও পোস্ট করে আসছে।

    আল আমিন পেশায় বেসরকারি চাকুরিজীবী। সে সাইবার অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ত একটি পেজের অ্যাডমিন। সে প্রধানমন্ত্রীসহ অন্যান্য জাতীয় নেতাদের ছবি বিকৃত আকারে প্রকাশ, বিভিন্ন জাতীয় প্রতিষ্ঠান (বিচার বিভাগ, সেনাবাহিনী, পুলিশ) ঘিরে মিথ্যা তথ্য সন্নিবেশ করে তাতে ভুয়া ছবি সুপার অ্যানিমেশনের মাধ্যমে ফেসবুকে পোস্ট করত।

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫
    ১৬১৭১৮১৯২০২১২২
    ২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
    ৩০৩১  
  • ফেসবুকে daynightbd.com