• শিরোনাম

    আঁধার কাটিয়ে আলোয় বাংলাদেশ

    ডেনাইট ডেস্ক | ০৪ নভেম্বর ২০১৯

    আঁধার কাটিয়ে আলোয় বাংলাদেশ

    আলোর দিশা মিলছিল না কোথাও। বাংলাদেশের ক্রিকেটকে যেন ঘিরে ধরেছিল নিকষ অন্ধকার। রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে ভারতকে হারিয়ে সেই আঁধার কাটিয়ে আলোর পথে ফিরেছে বাংলাদেশ। বিশ্বকাপে নিজেদের প্রত্যাশা অনুযায়ী খেলতে না পারা বাংলাদেশের ভরাডুবি হয় শ্রীলঙ্কা সফরে। পরে দেশের মাটিতে হার এসেছে আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে। ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজেও এক ম্যাচে হারতে হয়েছে আফগানদের বিপক্ষে।

    মাঠের ক্রিকেটে পারফরম্যান্সের ক্রমাবনতি ছিল স্পষ্ট। মাঠের বাইরেও নানা ঘটনার জন্য শিরোনাম হয় বাংলাদেশের ক্রিকেট। ১১ দফা দাবিতে হুট্ করে ধর্মঘট ডেকে বসেন ক্রিকেটাররা। এর সমাধান হতে না হতেই খবর আসে, জুয়াড়িদের প্রস্তাবের তথ্য গোপন করে নিষিদ্ধ হয়েছেন সাকিব আল হাসান। ম্যাচের আগে কোচ রাসেল ডমিঙ্গো বলেছিলেন, কঠিন সময় আরও কাছে নিয়ে এসেছে ক্রিকেটারদের। মুশফিকুর রহিমের কণ্ঠেও শোনা গেল একই সুর। ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় জানালেন, জয় দিয়েই দেশবাসীর মুখে হাসি ফোটাতে চেয়েছিলেন তারা।

    আমার ১৫ বছরের ক্রিকেট ক্যারিয়ারে গত দুই-তিন সপ্তাহ ছিল সবচেয়ে কঠিন সময়। যদি আমরা কয়েকটি ম্যাচ জিতি কিংবা খুব ভালো ক্রিকেট খেলি, তাহলেই কেবল সব ঠিক পথে ফিরতে পারে। একটা জয় দলে আর দেশের সবার মুখে হাসি ফেরাতে পারে। আজ আমরা সেটিই করেছি। আশা করি, আমরা এটা ধরে রাখতে পারব। সিরিজে নিজেদের ছাড়িয়ে যাওয়ার চ্যালেঞ্জ নিয়ে খেলছে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে করেছে প্রায় অসাধ্য সাধন। ভারতকে হারিয়ে দিয়েছে তাদেরই মাটিতে। এতটাই ফুরফুরে মেজাজে ছিলেন ম্যাচের নায়ক যে, কঠিন সময় নিয়ে মজাও করলেন।

    “তাহলে কি প্রত্যেক সপ্তাহে এমন করব নাকি (হাসি)… এটা আসলে কথা না। কখনই কেউ চায় না এমন পরিস্থিতি আসুক। একই সময়ে এখন থেকে ফিরে আসার একটাই পথ ছিল, একটা জয় বা ভালো কিছু করা। ১৭-১৮ কোটি মানুষ সব সময় আমাদের দিকে তাকিয়ে থাকে। আমরা মরিয়াভাবে চেষ্টা করেছি, বাকিটা ছিল ওপরওয়ালার উপর। অন্তত এই চেষ্টাটা যেন সব সময় করতে পারি।”

    স্রেফ মরিয়া চেষ্টাই ছিল না। হিসাব-নিকাশ করতে হয়েছে পুরোটা সময়। কে বোলিং করছে, কার কত ওভার আছে। কাকে টার্গেট করতে হবে, কখন করতে হবে, সেই আলোচনা করে যেতে হয়েছে মুশফিকদের। আমি আর সৌম্য যখন ব্যাটিং করছিলাম, আমরা কথা বলছিলাম, আমাদের কেউ যদি ১৯তম ওভার পর্যন্ত থাকে তাহলে আমরা ম্যাচটা খুব কাছে নিয়ে যেতে পারব। আমাদের স্রেফ একটা বড় ওভার প্রয়োজন ছিল। ১৬ কিংবা ২০ রানের একটা ওভার। আমরা ঠিক করেছিলাম, শেষ ৩ ওভারে অলআউট অ্যাটাকে যাব। … আমার মনে হয়, সব কিছু আমাদের পক্ষেই গেছে। রিয়াদ ভাইও (মাহমুদউল্লাহ) ক্রিজে আসার পর ভালো খেলেছে।

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    পাকিস্তানে খেলতে চান সাকিব

    ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩
    ১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
    ২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
    ২৮২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে daynightbd.com