• শিরোনাম

    করোনায় ২৪ ঘন্টায় শনাক্ত ৩৫০৪,মৃত্যু আরও ৩৪

    নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৭ জুন ২০২০

    করোনায় ২৪ ঘন্টায় শনাক্ত ৩৫০৪,মৃত্যু আরও ৩৪

    দেশে করোনায় গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৬৯৫ জনে। নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছেন ৩৫০৪ জন। দেশে এখন পর্যন্ত সব মিলিয়ে শনাক্ত হয়েছেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ৯৭৮ জন। সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ১৮৫ জন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ হলেন ৫৪ হাজার ৩১৮ জন।

    আজ শনিবার দুপুর আড়াইটায় কোভিড-১৯ সম্পর্কিত সার্বিক পরিস্থিতি জানাতে স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিনের আয়োজন করা হয়। সেখানে এসব তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. নাসিমা সুলতানা।

    তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ১৫ হাজার ৫৯টি, নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১৫ হাজার ১৫৭টি। এখন পর্যন্ত ৭ লাখ ১২ হাজার ৯৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। নমুনা পরীক্ষার মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হয়েছে ৩৫০৪ জন। ২৪ ঘণ্টায় পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ২৩ দশমিক ১২ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৪০ দশমিক ৫৪ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ২৭ শতাংশ।

    নাসিমা সুলতানা জানান, মৃত্যুরণকারীদের মধ্যে ৩২ জন পুরুষ এবং দুইজন নারী। বয়স বিশেøষণে দেখা যায়, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ৭জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ১৩ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ৬জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৬জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে একজন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে একজন রয়েছেন।

    অঞ্চল বিবেচনায় এদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১০ জন, রাজশাহী বিভাগে ৪জন, খুলনা বিভাগে একজন, সিলেট বিভাগে চারজন এবং রংপুর বিভাগে দুই জন রয়েছেন। এদের মধ্যে হাসপাতালে মারা গেছেন ৩০ জন এবং বাসায় মৃত্যুবরণ করেছেন চার জন।

    স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে রাখা হয়েছে ৭২৬ জনকে। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ১৪ হাজার ২৬৭ জন। ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশন থেকে ছাড়া পেয়েছেন ২৫৯ জন, এখন পর্যন্ত মোট ছাড়া পেয়েছেন ৯ হাজার ৮২৬ জন।

    এখন পর্যন্ত আইসোলেশন করা হয়েছে ২৪ হাজার ৯৩ জনকে। তিনি আরও জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় প্রাতিষ্ঠানিক ও হোম কোয়ারেন্টিন মিলে কোয়ারেন্টিন করা হয়েছে দুই হাজার ৩১২ জনকে। কোয়ারেন্টিন থেকে গত ২৪ ঘণ্টায় ছাড়া পেয়েছেন দুই হাজার ৫২০ জন, এখন পর্যন্ত ছাড়া পেয়েছেন দুই লাখ ৭৭ হাজার ১৫৭ জন। বর্তমানে মোট কোয়ারেন্টিনে আছেন ৬৩ হাজার ৯১৩ জন।

    অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা বলেন,করোনা নিয়ন্ত্রণে ঢাকা মহানগরীর ওয়ারীর নির্ধারিত এলাকা চিহ্নিত করে সেখানে পরীক্ষামূলক ‘রেড জোন’ বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদফতর এমন তথ্য জানিয়েছে। তিনি বলেন,স্বাস্থ্য অধিদফতরের নেতৃত্বে জোনিং পদ্ধতি নিয়ে একটি পরামর্শক কমিটি অব্যাহতভাবে কাজ করছে।

    রেড জোন, ইয়েলো জোন বা গ্রিন জোন নির্ধারণ একটি চলমান প্রক্রিয়া। এটি নির্ধারণ হয় সংক্রমণ বিস্তারের সর্বাধিক ঝুঁকি, মাঝারি ঝুঁকি ও কম ঝুঁকির ওপর নির্ভর করে। জোনিং পদ্ধতি স্থায়ী কোনো বিষয় নয়। কাজেই স্থায়ীভাবে কোনো অঞ্চল বা এলাকাকে রেড জোন ঘোষণা বা বাতিল করা হয়নি। দেশের বিভিন্ন স্থানে কিছু এলাকায় রেড জোন বাস্তবায়ন হচ্ছে।

    নাসিমা সুলতানা আরও বলেন,ঢাকা মহানগরীর ওয়ারীর নির্ধারিত এলাকা চিহ্নিত করে সেখানে পরীক্ষামূলক রেড জোন বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পত্র প্রেরণ করা হয়েছে। পূর্ব রাজাবাজারে রেড জোন চলমান আছে পরামর্শক কমিটির গাইডলাইন অনুসারে। স্থানীয় পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে যেখানে যেমন তেমনভাবেই প্রয়োজনে রেড জোন বাস্তবায়নের কাজ চলমান। জোন বিষয়ক কমিটিতে ১৩ জন সদস্য আছেন এবং এর সভাপতি স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক।

    গত ডিসেম্বরে চীনের উহান শহর থেকে ছড়ানো করোনাভাইরাস গোটা বিশ্বকে বিপর্যস্ত করে দিয়েছে। বিশ্বজুড়ে এখন পর্যন্ত এ ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৯৯ লাখের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছে। মৃতের সংখ্যাও ৫ লাখ ছুঁই ছুঁই করছে। তবে ৫৩ লাখের বেশি রোগী ইতোমধ্যে সুস্থ হয়েছেন। বাংলাদেশে করোনাভাইরাস প্রথম শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। আর প্রথম মৃত্যু হয় ১৮ মার্চ।

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১
    ১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
    ১৯২০২১২২২৩২৪২৫
    ২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে daynightbd.com