• শিরোনাম

    সুষ্ঠ নির্বাচনের স্বার্থে ‘কুসিকে’ সেনা মোতায়েন করুন : শামসুজ্জামান দুদু

    অনলাইন ডেস্ক | ২০ মার্চ ২০১৭

    সুষ্ঠ নির্বাচনের স্বার্থে ‘কুসিকে’ সেনা মোতায়েন করুন : শামসুজ্জামান দুদু

    বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, এ সরকারের অধিনে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আশা করা বাতুলতা ছাড়া কিছুই নয়। সরকারের প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছাত্রলীগ আর জনতার মঞ্চের ক্যাডার। তার কাছে কিভাবে নিরপেক্ষ নির্বাচন প্রত্যাশা করা যায়। তিনি প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে বলেন, আপনি কি চান ? সিদ্ধান্ত নিন। সমঝোতা না কি সংঘাত? সমঝোতার জন্য অবিলম্বে দেশনেত্রী বেগম খালেদার সাথে বসুন সংলাপ করুন। সময় চলে গেলে সমঝোতা হবে না। দেশ সংঘাতের দিকে চলে যাবে। তখন আপনার পতনও কেউ ঠেকাতে পারবে না।
    সোমবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ সম্মিলিত গণতান্ত্রিক জোট আয়োজিত ’নির্বাচন কালিন সহায়ক সরকার প্রতিষ্ঠা ও ‘শুসিক’ নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের দাবীতে’ নাগরিক মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শামসুজ্জামান দুদু এ কথা বলেন।
    সংগঠনের সমন্বয়কারী ড. কাজী মনিরুজ্জামান মনিরের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান এডভোকেট সৈয়দ এহসানুল হুদা, বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া, এনডিপি প্রেসিডিয়াম সদস্য মোঃ মঞ্জুর হোসেন ঈসা, বিএনপি নির্বাহী কমিটির সদস্য এডভোকেট রফিক শিকদার, জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক দলের সভাপতি হুমায়ূন কবির বেপারী, দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কেএম রাকিবুল ইসলাম রিপন, বিএনপি মহানগর সদস্য মোহাম্মদ ফরিদউদ্দিন, ন্যাপ মহানগর সদস্য সচিব মোঃ শহীদুননবী ডাবলু, জাতীয় ছাত্র কেন্দ্রের সমন্বয়কারী সোলায়মান সোহেল প্রমুখ।
    শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, কোন দলীয় সরকারের অধিনে সুষ্ঠু নির্বাচনের আশা করা অসম্ভব। আর শেখ হাসিনার অধিনে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আশা করা অলিক স্বপ্ন ছাড়া কিছুই নয়। তিনি বলেন, সরকার ভারতের সাথে নিরাপত্তা চুক্তি মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিরোধী অবস্থান গ্রহন করতে যাচ্ছে। দেশের জনগনের মতামতকে তোয়াক্কা না করে দেশ বিরোধী কোন চুক্তি সম্পাদিক হলে সরকারকে চরম মূল্য দিতে হবে।
    শামসুজ্জামান দুদু অবিলম্বে গণতন্ত্রের স্বার্থে জাতীয় সংলাপের মধ্য দিয়ে সমঝোতা প্রতিষ্ঠার আহŸান জানিয়ে বলেন, অন্যথায় গণআন্দোলনের মাধ্যমে সরকারের পতন অনিবার্য।
    সৈয়দ এহসানুল হুদা বলেছেন, এটা ইতোমধ্যে প্রতীয়মান হয়েছে য়ে, বিরোধী দলকে কোণঠাসা করে কোনো সুযোগ না দিয়েই তারা নির্বাচন করতে চায়-যেটা ২০১৪ সালে করেছিল। কিন্তু এবার ২০১৪ সালের মতো একতরফা নির্বাচন করা তাদের পক্ষে সম্ভব হবে না। জনগণ কোনো ভাবেই মেনে নেবে না।
    সংহতি প্রকাশ করে ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেছেন, সব কিছুর মূলে হচ্ছে গণতন্ত্র। সব দলের অংশগ্রহণে একটি অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। আর সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য প্রয়োজন একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনকালিন সরকার।
    জনগণকে বাইরে রেখে ক্ষমতা দখলের পাঁয়তারা চলছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, ২০১৪ সালে যে নির্বাচন হয়েছে, সে ধরনের নির্বাচন আর করতে পারবে না সরকার। কারণ, জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য অপেক্ষায় আছে ; প্রস্তুতি নিয়ে আছে। সুতরাং কেউ যদি এমনটি ভেবে থাকেন, জনগণকে বাইরে রেখে আরেকটি একতরফা নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করবেন, তাহলে তারা ভুল করছেন। এদেশে সেটি আর সম্ভব নয়।
    গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেছেন, নির্বাচনের একটি স্থায়ী পদ্ধতি ঠিক করতে প্রয়োজন জাতীয় সংলাপের। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে চির দিনের জন্য সিদ্ধান্ত নিতে হবে। যেন নির্বাচন এলেই এ নিয়ে আর কথা বলতে না হয়।

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১
    ১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
    ১৯২০২১২২২৩২৪২৫
    ২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে daynightbd.com