• শিরোনাম

    বাংলাদেশি কিশোরীকে গণধর্ষণ, ভারতে আটক ১১

    অগ্রবাণী ডেস্ক | ২১ মার্চ ২০১৭

    বাংলাদেশি কিশোরীকে গণধর্ষণ, ভারতে আটক ১১

    ১৪ বছরের এক বাংলাদেশি কিশোরীকে পাচার করে নিষিদ্ধপল্লীতে বিক্রির অভিযোগে ভারতের গুজরাটের জুনাগড়ের মাংরোল শহর থেকে তিনজনকে আটক করেছে ভারতের পুলিশ। এর মধ্যে ৩৫ বছর বয়সী এক নারীও রয়েছে। সোমবারই এদেরকে আটক করা হয়। পাশাপাশি ওই কিশোরীকেই গত এক সপ্তাহে দুই বার গণধর্ষণের অভিযোগে মাংরোল থেকে আটক করা হয়েছে আরও ৮ জনকে। এই মামলার তদন্তকারী দল জুনাগড় পুলিশের লোকার ক্রাইম ব্রাঞ্চের (এলসিবি) কর্মকর্তারাই তাদের আটক করে।

    পাচারের অভিযোগে আটক মংরোলের স্থানীয় বাসিন্দা বর্ষা লোহানা এবং আমেদাবাদের বাসিন্দা রাজু ওরফে শ্রীকান্ত মন্ডল (৩০) ও জীবন মোধাকে (৩৪) জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গেছে, বর্ষার বাড়িতেই জোর করে পতিতাবৃত্তির কাজ করানো হতো ওই বাংলাদেশি কিশোরীকে এবং তার এজেন্ট হিসাবে কাজ করতেন বর্ষা। অন্যদিকে মনোরঞ্জনের জন্য খদ্দের ধরে আনার কাজ করতো রাজু ও শ্রীকান্ত।
    লোকার ক্রাইম ব্রাঞ্চের ইন্সপেক্টর এনকে ব্যাস জানান, ‘বর্ষা, রাজু এবং জীবনের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ইমমরাল ট্রাফিক প্রিভেনশন আইন, প্রোটেকশন অফ চিলড্রেন ফ্রম সেক্সুয়াল অফেন্স আইন (পসকো), অপহরণ ও অনৈতিক ভাবে আটকে রাখার অভিযোগে বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি গণধর্ষণের অভিযোগে আটক আটজনকেও ধর্ষণ ও পসকো আইনে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, গত ১৬ মার্চ মাংরোলের একটি বার্স টার্মিনালে ওই কিশোরীকে একা কাঁদতে দেখে স্থানীয়রা এগিয়ে আসে। কিন্তু ভাষাগত সমস্যার কারণে ওই কিশোরীর কথা বুঝতে না পারায় তাকে তুলে দেওয়া হয় স্থানীয় থানার হাতে। এরপর ইন্টারপ্রেটারের সহায়তায় জানা যায় ওই কিশোরীকে কাজের লোভ দেখিয়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে নিয়ে আসা হয়। পরে আমেদাবাদ হয়ে মাংরোলের এসে পৌঁছয় ওই কিশোরী।

    ১৪ বছর বয়সী ওই কিশোরী অভিযোগ করে গত এক সপ্তাহে দুইবার গণধর্ষণ করা হয় তাকে। প্রথমবার আমেদাবাদে সাতজন মিলে তাকে গণধর্ষণ করে। এরপর জুনাগড়ের মাংরোল শহরে ১১ জন মিলে তার পাশবিক অত্যাচার করে। তার অভিযোগ, তারই এক আত্মীয় পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বনগাঁর বাসিন্দা সাই নামে এক ব্যাক্তির কাছে ৩ হাজার রুপিতে বিক্রি করে দেওয়া হয়। বর্তমানে জুনাগড়ের একটি হোমে রাখা হয়েছে ওই কিশোরীকে। কিশোরীর অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্তে নামে জুনাগড়ের পুলিশ। এই ঘটনায় সেসময় প্রচণ্ড সোরগোল পড়ে যায় আমেদাবাদ শহরে। বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় এই খবর প্রকাশিত হওয়ার পর নড়েচড়ে বসে পুলিশ প্রশাসনও।

    লোকার ক্রাইম ব্রাঞ্চের ইন্সপেক্টর এনকে ব্যাস আরও জানান, ‘এ ঘটনার সঙ্গে আরও কারা জড়িত রয়েছে তা উদঘাটনের জন্য অভিযুক্তদের রিমান্ডে নিয়ে আমরা তাদের কাছ থেকে তথ্য জানার চেষ্টা করছি। ‘

    -এলএস

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩
    ১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
    ২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
    ২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে daynightbd.com