• শিরোনাম

    রাস্তার ধারে ঘর ঝকঝকে রাখার উপায়

    অনলাইন ডেস্ক | ২২ মার্চ ২০১৭

    রাস্তার ধারে ঘর ঝকঝকে রাখার উপায়

    বেশিরভাগ বাড়ির সমস্যা, রোজকার ধুলোবালির সঙ্গে লড়াই করা। বিশেষ করে রাস্তার ধারে বাড়ি যাঁদের। জানলা-দরজা বন্ধ রেখেও লাভ হয় না। ফাঁক পেলে ধুলো ঠিক ঢুকবেই। আশপাশে যদি কনস্ট্রাকশনের কাজ চলে, তাহলে তো কথাই নেই! ধুলো কোনওভাবেই আটকানো সম্ভব নয়, এটাই সত্যি। তবে কয়েকটা উপায়ে ধুলো-ময়লা কম করার কিছু রাস্তা রয়েছে। ঘরের কিছু বিশেষ জায়গা পরিষ্কার রাখলে, ধুলো-ময়লা একটু কম হতে পারে।

    আলমারি
    জামা-কাপড়ের আলমারিতেই বেশি ধুলো বাসা বাঁধে। সারি সারি ফ্যাব্রিক রাখা থাকলে ধুলোর পোয়াবারো! যেই আলমারি খুলবেন, অমনি এক রাশ ধুলো ঢুকে যায়। আটকানোর উপায় নেই। তবে আলমারিতে কিছু ন্যাপথালিন বল আর পটপিউরি রাখতে পারেন। স্যাঁতস্যাঁতে ভাবটা কমবে। মাঝে মাঝেই সব পোশাক নামিয়ে পুরো আলমারি পরিষ্কার করুন। অত সময় অবশ্য বার করা কঠিন। কিন্তু মাসে একবার চেষ্টা করবেন। তাছাড়া সরাসরি আলমারিতে পোশাক না রেখে ছোট ছোট বাক্সে রাখতে পারেন। কিংবা স্বচ্ছ পলিথিনের কেসে। এগুলো সাধারণত এয়ার-টাইট হয়। তাই জামা-কাপড় নোংরা কম হয়। দামি সিল্কের শাড়ি বা কুর্তি নরম লিনেন কাপড়ে মুড়ে রাখতে পারেন।

    ভ্যাকিউম করুন সঠিকভাবে
    বাজারে অনেক ধরনের ভ্যাকিউম ক্লিনার পাওয়া যায়। কেনার আগে ভাল করে দেখে নেবেন ঠিক কী রকম ক্লিনার আপনার প্রয়োজন। ক্লিনারের নানা রকম এক্সটেনশন থাকে, যেগুলো ঘরের কোণে, সোফা-ক্যাবিনেটের তলা পর্যন্ত পৌঁছে যায়। সেগুলো কোনটা আপনার দরকার, দেখে নিন। এমন জিনিস দিয়ে ধুলো ঝাড়বেন না, যাতে ধুলো আরও বেশি ওড়ে। পালক দিয়ে ঝুল ঝাড়ার বদলে নরম সুতির কাপড় দিয়ে মোছা অনেক বেশি বুদ্ধিমানের কাজ। মনে রাখবেন, শুধু ভ্যাকিউম করলেও কিন্তু শুকনো ধুলো থেকেই যাবে। তাই জল দিয়ে মোছাও খুব জরুরি।

    বেডরুম, পরদা
    ঘরের সব পরদা মাসে একবার ধুয়ে নিন। কিংবা ড্রাই ওয়াশ করতে পাঠাতে পারেন। পরদায় সাধারণত ভারী কাপড় ব্যবহার করা হয় বলে বেশি ধুলো জমে। এমনিতেও ঘরের বাইরের ধুলো প্রাথমিকভাবে জানলা-দরজার পরদাই আটকায়। তাই এগুলো পরিষ্কার করা খুব দরকার। বিছানার চাদর, বালিশের কভার, কুশন কভার দু’সপ্তাহে একবার বদলে ফেলুন। একসঙ্গে বেশি ধুলো জমে গেলে পরে পরিষ্কার করতে সমস্যা হবে। একটাই বেডশিট ব্যবহার না করে একটা বাড়তি বেডকভার পাতুন। যাতে শোয়ার সময় অন্তত পরিষ্কার চাদরে শুতে পারেন। দু’বেলা বিছানা আলাদা ঝাড়ন দিয়ে ঝাড়বেন।

    কার্পেট, ফ্লোর ম্যাট
    সবচেয়ে বেশি ধুলো জমে ঘরের কার্পেট, পাপোশ, ফ্লোর ম্যাট বা শতরঞ্চিতে। এগুলো সপ্তাহে অন্তত একদিন ঘরের বাইরে নিয়ে গিয়ে পিটিয়ে পিটিয়ে পরিষ্কার করা উচিত। ধুলোবালি, উড়ো চুল, কাগজের টুকরো— এগুলো কার্পেটে বেশি জমে। কার্পেটের বদলে যদি পাতলা মাদুর বা ফ্লোর রাগ পাতেন, তাহলে পরিষ্কার করতে অনেক বেশি সুবিধে হবে। গরমকালে শীতলপাটিও পাততে পারেন। পাপোশ অনেক ধরনের হয়। বাড়ির বাইরের পাপোশটা এমন মেটিরিয়ালের কেনা প্রয়োজন যাতে সবচেয়ে বেশি ধুলো মোছা যায়। বর্ষাকালে আবার অন্য ধরনের পাপোশ দরকার। যাতে জল-কাদা মুছে যায়। ঘরের ভিতরের পাপোশগুলো অবশ্যই নিয়মিত পরিষ্কার করবেন।

    এয়ার পিউরিফায়ার
    আপনি যদি বাড়তি সাবধানী হন, তাহলে ঘরে পিউরিফায়ারও বসাতে পারেন। এতে দূষিত হাওয়া একটু হলেও কমবে। বাচ্চারা থাকলে এয়ার পিউরিফায়ার অনেকেই লাগান। বিশেষ করে একদম রাস্তার উপরে যাঁদের বাড়ি। এই পিউরিফায়ারগুলোর অনেক সময় ব্লোয়ার মোড থাকে। ঘর পরিষ্কার করার পরই এই মোড অন করে নিন। নয়তো সদ্য যেই জায়গায়টা পরিষ্কার করলেন, উড়ে সেখানেই ধুলোগুলো ফের জমবে।

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫১৬
    ১৭১৮১৯২০২১২২২৩
    ২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
    ৩১  
  • ফেসবুকে daynightbd.com