• শিরোনাম

    ডেঙ্গু রোগের চিকিৎসা বিল ২৫ হাজার ডলার

    ডেনাইট ডেস্ক | ২২ নভেম্বর ২০১৭

    ডেঙ্গু রোগের চিকিৎসা বিল ২৫ হাজার ডলার

    ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত সাত বছরের এক শিশুকে দিল্লির একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। দুই সপ্তাহ চিকিৎসাধীন থাকার পর সে মারা যায়। এরপর হাসপাতাল থেকে তার পরিবারকে ধরিয়ে দেয় ২৫ হাজার ডলারের অস্বাভাবিক এক বিলের কাগজ। এটা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা হয়। এত বিল কীভাবে এল তা তদন্তে নির্দেশ দিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

    বিবিসির খবরে বলা হয়, ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত সাত বছরের ছোট্ট এক শিশুকে এ বছরের সেপ্টেম্বরে দিল্লির ফোরটিস মেমোরিয়াল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার দুই সপ্তাহ চিকিৎসা চলে। এরপর সে মারা যায়। সব শেষে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তার পরিবারকে ধরিয়ে দেয় ২৫ হাজার ডলার বা প্রায় ২১ লাখ ভারতীয় রুপির একটি বিলের কাগজ। ওই পরিবারের এক বন্ধু বিষয়টি প্রথমে টুইটারে প্রকাশ করেন। এরপর এ টুইট কমপক্ষে ১০ হাজারের বেশি রি-টুইট হয়েছে।

    শিশুটির নাম অদয়া সিং। গত আগস্টে তার ডেঙ্গু রোগ শনাক্ত হয়। অবস্থার অবনতি ঘটলে ওই মাসের শেষ দিকে শিশুটিকে ওই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এই অস্বাভাবিক বিল নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা শুরু হয়েছে। এরপরই বিষয়টি তদন্তের উদ্যোগ নিয়েছে ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে পি নাড্ডা এক টুইট বার্তায় বলেছেন, এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপই নেওয়া হবে।

    শিশুটির পরিবার জানিয়েছে, দুই সপ্তাহের জন্য তাদের ৬০০ সিরিঞ্জ ও দেড় হাজার গ্লাভসের বিল রাখা হয়েছে। ২০ পাতার পুরো বিলটি টুইটারে তুলে ধরা হয়েছে। এতে দেখা যায়, বিভিন্ন ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জামের দাম বেশি রাখা হয়েছে। রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষার জন্য ব্যবহৃত সরঞ্জামের দামও রাখা হয়েছে বেশি। দিল্লির শহরতলির ফোরটিস মেমোরিয়াল হাসপাতাল অবশ্য বলেছে, তারা যে বিল দিয়েছে তা যথাযথ।

    শিশুর বাবা জয়ন্ত সিং গণমাধ্যমকে বলেছেন, হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরদিন তার সন্তানকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পরিবারকে জানায়, শিশুটির মস্তিষ্কে সামান্য ক্ষতি হয়েছে। কিন্তু আদতে কোনো এমআরআই করা হয়নি। তা না করে কীভাবে এ সিদ্ধান্তে উপনীত হলো হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ? জয়ন্ত সিং বলেন, তারা শিশুটিকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু সেখানকার চিকিৎসকেরা এর বিপরীতে মত দেন এবং হাসপাতালেই মারা যায় শিশুটি। এমনকি শিশুটির মৃতদেহ নেওয়ার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে অ্যাম্বুলেন্স চাইলেও তারা তা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে তারা নিজেদের উদ্যোগে অ্যাম্বুলেন্স জোগাড় করে মরদেহ নিয়ে যান। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শিশুটিকে ভ্যান্টিলেশনে রাখা হয়েছিল, যাতে খরচ অনেক বেশি পড়ে এবং বিল যথাযথই রাখা হয়েছে।

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫১৬
    ১৭১৮১৯২০২১২২২৩
    ২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
    ৩১  
  • ফেসবুকে daynightbd.com