• শিরোনাম

    রাজধানীতে দুই গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ

    নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৭

    রাজধানীতে দুই গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ

    রাজধানীতে পৃথক ঘটনায় দুই গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তারা হলেন- কামরাঙ্গীরচরে রিপা আক্তার (২০) এবং গেন্ডারিয়ার সিমথিয়া ইসলাম (২১)। তাদের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। মৃতদের পরিবার বলছে, তাদের হত্যা করা হয়েছে। তবে এটি হত্যা না আত্মহত্যা তা নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ।

    মৃত রিপাকে অচেতন অবস্থায় ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসেন দেবর রেজাউল ও ননদ মাহমুদা আক্তার। তারা বলেন, তাদের ভাই আবদুল হাই’র সঙ্গে রিপার বছর খানেক আগে বিয়ে হয়। এরপর থেকে স্বামী, শ্বশুর-শাশুড়ির সঙ্গে হাসান নগরে থাকতো রিপা। আব্দুল হাই একটি রডের দোকানে কাজ করে। আজ দুপুরে প্রতিবেশীদের মাধ্যমে খবর পেয়ে রিপাকে বিছানার ওপর শোয়া অবস্থায় দেখতে পাই। পরে তাকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। কিন্তু রিপার কি হয়েছিল তা বলতে পারছি না। তবে রিপা বাথরুমে পড়ে ছিল বলে জানতে পেরেছি। রিপার গ্রামের বাড়ি বরিশাল সদরের ভেদুরিয়ায়।

    কামরাঙ্গীরচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন ফকির বলেন, মৃতের গলায় দাগের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তবে এটি হত্যা না আত্মহত্যা তা ময়নাতদন্ত রিপোর্টে স্পষ্ট হবে। তবে ওই নারী ৫-৬ দিন আগে তার স্বামী আবদুল হাই’র বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন আইনে মামলা করেন। তখন তিনি বলেছিলেন, আবদুল হাই তাকে যৌতুকসহ বিভিন্ন কারণে মারধর করত। মামলাটি তদন্তে আমরা জানতে পারি, আবদুল হাই’র সঙ্গে আরেক মেয়ের সম্পর্ক রয়েছে। এ নিয়ে তাদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। তবে যৌতুকের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি।

    এদিকে, গেন্ডারিয়ার ৬ নং দীন নাথ সেন এলাকা থেকে উদ্ধার গৃহবধূ সিমথিয়ার লাশ আজ ঢামেক মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। মৃতের চাচা সবুজ তালুকদার জানান, সিমথিয়ার বাড়ি মুন্সিগঞ্জের লৌহজং থানার বাছিরায়। তার স্বামীর নাম শেখ রিয়াদ। নয় মাস আগে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে সে গেন্ডারিয়া স্বামীর সঙ্গে থাকতো। রিয়াদ ইতালি প্রবাসী। রিয়াদ তাকে ইতালি নিতে চায়। কিন্তু তার শাশুড়ি পারভীন সুলতানার সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে সিমথিয়ার ঝগড়া হতো।

    শাশুড়ি তাকে বাবার বাড়িতে যেতে দিতো না। আজ দুপুরে তাদের মাধ্যমে শুনতে পারি, সিমথিয়া ফাঁসি দিয়েছে। কিন্তু আমরা দেখিনি। খবর পেয়ে সিমথিয়াকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। সুবজের অভিযোগ, সিমথিয়াকে ইতালি নেয়ার বিষয়ে তার শাশুড়ির মত ছিল না। এসব কারণে সিমথিয়াকে তার শ্বাশুর বাড়ির লোকজন হত্যা করে ঝুলিয়ে রেখেছে।

    গেন্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী মিজানুর রহমান জানান, আজ মঙ্গলবার সকালে খবর পেয়ে গেন্ডারিয়ার আজগর আলী হাসপাতাল থেকে মৃতের লাশ উদ্ধার করা হয়। মৃতের গলায় অর্ধচিহ্ন দাগ আছে। আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগ এনে মৃতের পরিবার মামলা করেছে। ওই মামলায় মৃত সিমথিয়ার শাশুড়ি পারভীন সুলতানা ও দেবর শাওনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫১৬
    ১৭১৮১৯২০২১২২২৩
    ২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
    ৩১  
  • ফেসবুকে daynightbd.com