• শিরোনাম

    চার বছর ধরে বন্ধ জবির দ্বিতীয় ফটক

    রায়হান উদ্দিন | ১০ ডিসেম্বর ২০১৭

    চার বছর ধরে বন্ধ জবির দ্বিতীয় ফটক

    সমস্যায় জর্জরিত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) দুইটি ফটকের একটি প্রায় চার বছর ধরে বন্ধ। ফলে দ্বিতীয় ফটকে গড়ে উঠেছে বাস, রিক্শা গ্যারেজ ও লেগুনা স্ট্যান্ড এবং দোকানপাট। মাত্র সাড়ে ৭ একর জমিতে প্রতিষ্ঠিত এই অনাবাসিক বিশ্ববিদ্যালয়টিতে বিভাগের সংখ্যা ৩৮ টি হলেও শিক্ষার্থীদের প্রবেশ এবং বের হওয়ার পথ মাএ একটি।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ম্যাপে দুটি প্রধান ফটক লক্ষ্য করা যায়। একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন একাডেমিক ভবনের ডান পাশে অবস্থিত। যেটিকে ম্যাপে প্রধান গেট বলে অবহিত করা হয়েছে এবং এই ফটকই শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে গমন ও বের হওয়ার একমাএ পথ। অপর প্রবেশ দুয়ারটিকে ম্যাপে নতুন গেট নামে পরিচিতি দেওয়া হয়েছে। যা নতুন একাডেমিক ভবনের বাম পার্শ্বে অবস্থিত।

    অনুসন্ধানে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন একাডেমিক ভবনের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ উদ্বোধনের দেড় বছর পর দফায় দফায় নির্মাণকাজ শুরু হয়। ২০১৪ সালে এই নির্মাণ কাজের জন্য ক্যাম্পাসের দক্ষিণ (দ্বিতীয়) ফটক বন্ধ করে কর্তৃপক্ষ। এ সুযোগে ফটকের সামনে ধীরে ধীরে গড়ে উঠে লেগুনাস্ট্যান্ড ও গ্যারেজ।

    বর্তমানে দ্বিতীয় ফটকটির সামনে রিক্শা গ্যারেজ, লেগুনা স্ট্যান্ড আর গণশৌচাগার গড়ে উঠেছে। সরেজমিন দেখা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ফটক ও কলেজিয়েট স্কুলের ফটকের দেয়াল ঘেঁষে সড়কের প্রায় অর্ধেক স্থান দখল করে গড়ে ওঠা এই রিক্শা গ্যারেজ ও লেগুনা স্ট্যান্ডটি ছাড়াও দ্বিতীয় ফটক দখল করে স্থাপন করা হয়েছে বাহাদুর শাহ্ পরিবহন কাউন্টার, যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং ইত্যাদি। ফটকের সামনে এলোপাতাড়িভাবে লেগুনা ও বাহাদুর শাহ্ পরিবহনের মিনি বাস রাখায় শিক্ষার্থীদের পোহাতে হচ্ছে ভোগান্তি।

    যাতায়তে বাধাগ্রস্থ হচ্ছে শিক্ষার্থীরা। পড়ালেখার পরিবেশ হচ্ছে নষ্ট। শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নয় এর দরূণ ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে কলিজিয়েট স্কুল, হিড ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, বাংলাবাজার স্কুলের শিক্ষার্থীদেরও। বিশ্ববিদ্যালয়ের দশম ব্যাচের শিক্ষার্থী ইকবাল হাসান বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের থেকে সুযোগ সুবিধা কম পেয়ে থাকে। তার উপর বিগত তিনবছরের উপর দ্বিতীয় প্রবেশমুখটি জবি প্রশাসন বন্ধ করে রেখেছে। এতে করে আমাদের চলাচলে অনেক সমস্যা হয়। প্রসাসনের কাছে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে যত দ্রত সম্ভব আমাদের দ্বিতীয় প্রবেশমুখটি খুলে দেওয়ার দাবি জানান তিনি।

    এ ব্যাপারে নির্বাহী প্রকৌশলী (সিভিল) আমিরুল ইসলাম জানান, নতুন ভবনের উর্ধ্বতন সম্প্রসারণের কাজের সুবিধার জন্য ঠিকাদারদের চাহিদা অনুযায়ী ভবনের কাজের সরঞ্জামাদি রাখায় দক্ষিণ ফটকটি বন্ধ রাখা হয়েছে। ভবনের কাজ শেষ হলেই প্রবেশমুখটি খুলে দেয়া হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে সদ্য বন্ধ হয়ে যাওয়া রেভেনাস ক্যান্টিনের পাশে একটি প্রবেশমুখ নতুন তৈরী হলেও, শুধুমাত্র ভর্তি পরীক্ষার সময়ই কেনো তা খুলে দেয়া হয়? কেনো শিক্ষার্থীদের আসা যাওয়া করার জন্য খুলে দেয়া হয় না? এসকল প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, মূলত জরুরি কাজে এটি ব্যবহার করা হয়। তা কখনো শিক্ষার্থীদের জন্য খোলা হবে কিনা সেটা তার জানা নেই। তিনি বিষয়টিকে প্রশাসনের ব্যাপার বলে উল্লেখ করেন।

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    কানাডায় স্থায়ী বসবাসের সুযোগ

    ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৭

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১
    ১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
    ১৯২০২১২২২৩২৪২৫
    ২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে daynightbd.com