• শিরোনাম

    ডিএনএ পরীক্ষায় সনাক্ত হলো খুনি

    নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৮ ডিসেম্বর ২০১৭

    ডিএনএ পরীক্ষায় সনাক্ত হলো খুনি

    রাজধানীর বিমানবন্দর এলাকায় গত ২২ মার্চ রাতে খিলক্ষেত টানপাড়া ইটের ওয়াল সংলগ্ন একটি ফাঁকা জায়গা থেকে বস্তাবন্দি এক নারীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। লাশটি ছিল বিবস্ত্র, মস্তক বিহীন ও গামছা দিয়ে হাত-পা বাঁধা। এঘটনায় ওইদিন রাতেই বিমানবন্দর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে বিমানবন্দর থানার পুলিশ। একই সাথে নিহতের ময়না তদন্তের মাধ্যমে তার ডিএনএ ও ফরেনসিক এভিডেন্স সংগ্রহ করে পুলিশ।

    ঘটনার কয়েকদির পর মামলাটি তদন্ত শুরু করে বিমানবন্দর থানা পুলিশ। নিহতের ফিঙ্গার প্রিন্ট সংগ্রহ করে এনআইডি কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ওই নারীর পরিচয় বের করে পুলিশ। জানা যায় তার নাম কুলসুম আক্তার (২৮)। সে পল্লবী থানার মিরপুর-১২ এর ইলিয়াছ মোল্লার বস্তি এলাকায় বসবাস করত। কুলসুমের পরিচয় পাওয়ার পর তার নিকট আত্মীয়দের খোঁজে বের করে পুলিশ সদস্যরা।

    পরে বিভিন্ন তথ্য ও উপাত্তের ভিত্তিতে হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত সন্দেহে পল্লবী থেকে এনামুল হককে (৩০) নামে একজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তার গ্রামের বাড়ি ফরিদপুরের বোয়ালমারী থানা এলাকায়। বর্তমানে সে পল্লবীর ৫ নং রোড এলাকায় বসবাস করত। গ্রেফতারের পর তার ডিএনএ’র সাথে নিহত ভিকটিমের কাছ থেকে সংগ্রহ করা ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। এতে দেখা যায় যে, ভিকটিমের ডিএনএ প্রোফাইলের সাথে তা সম্পূর্ণভাবে মিলে যায়। এতে প্রাথমিক ভাবে সন্দেহ করা হয় যে সেই নিহত কুলসুমের হত্যাকারী।

    বিমানবন্দর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ এজাজ শফী জানান, ভিকটিম কুলসুম আক্তার তার স্বামীর কাছ থেকে আলাদা থাকতো। সেই সুবাদে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে উঠে একই এলাকার এনামুল হকের সাথে। পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পরে তারা দুজনে। এনামুলের পাশাপাশি আরো একজনের সাথে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে উঠে কুলসুমের। বিষয়টি জেনে ফেলে এনামুল। আরেক জনের সাথে সম্পর্কের বিষয়টি মেনে নিতে পারেনি সে। পরে কুলসুমের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে হত্যা করে বিমানবন্দর এলাকায় ফেলে রেখে চলে যায়।

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫১৬
    ১৭১৮১৯২০২১২২২৩
    ২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
    ৩১  
  • ফেসবুকে daynightbd.com