• শিরোনাম

    এমপিও : প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসে অনশন ভাঙলেন শিক্ষকরা

    নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৬ জানুয়ারি ২০১৮

    এমপিও : প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসে অনশন ভাঙলেন শিক্ষকরা

    জননেত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা আমাদের মানবিক বিষয়টি বিবেচনা করে উনার একান্ত সচিব সাজ্জাদ সাহেবকে পাঠিয়েছেন। সাজ্জাদ সাহেব আমাদেরকে মেসেজ দিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো এমপিওভুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। তাই প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে আমরা অনশনভঙ্গ করে কর্মসূচি প্রতাহার করেছি।

    সরকারি অনুমোদনে কার্যক্রম চালানো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর এমপিওভুক্তির দাবিতে গত ২৬ ডিসেম্বর থেকে প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে আসছিলেন দেশের বিভিন্ন এলাকার কয়েকশ শিক্ষক। গত ৩১ ডিসেম্বর থেকে তারা আমরণ অনশন শুরু করেন।

    তাদের অনশন ভাঙাতে গত মঙ্গলবার শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ প্রেস ক্লাবের সামনে গেলেও এমপিওভুক্তির সুনির্দিষ্ট দিনক্ষণের দাবিতে অনশন চালিয়ে যান শিক্ষকরা। অবশ্য সে সময়ই তারা বলেছিলেন, এমপিওভুক্তির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে আশ্বাস পেলে তারা অনশন ভেঙে কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নেবেন। ছয় দিনের অনশনে অর্ধশতাধিক শিক্ষক অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদের চিকিৎসাও দেওয়া হয়। শুক্রবার বিকালে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে দাবি পূরণের আশ্বাস পেয়ে অনশন ভাঙার পর আনন্দে মেতে ওঠেন আন্দোলনরত শিক্ষক-কর্মচারীরা।

    নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বিনয় ভূষণ রায় বলেন, আমরা কাল থেকেই ক্লাসে ফিরব, শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনব। আশা করি ননএমপিও সব স্কুল এবার এমপিওভুক্ত হয়ে যাবে।আমরা জানতে পেরছি, ইতোমধ্যে সেই কাজ শুরুও হয়ে গেছে। সর্বশেষ ২০১০ সালে এক হাজার ৬২৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করে সরকার। এরপর থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তি বন্ধ রয়েছে।

    শিক্ষামন্ত্রী বলে আসছিলেন সরকারের কাছ থেকে অর্থ পেলে নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করতে মন্ত্রণালয়ের কোনো অসুবিধা নেই। কিন্তু সরকার শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে সেই অর্থ দিচ্ছে না। সর্বশেষ গত ২ জানুয়ারি শিক্ষকদের অনশন ভাঙাতে গিয়ে তিনি বলেন, অনেক চেষ্টার পর তিনি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের কাছ থেকে সম্মতি আদায় করতে পেরেছেন। এবার নীতিমালা করে এমপিওভুক্তির কাজ শুরু করা সম্ভব হবে। দেশে বর্তমানে এমপিওবিহীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে সোয়া পাঁচ হাজার। এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক-কর্মচারীর সংখ্যা প্রায় ৮০ হাজার।

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫
    ১৬১৭১৮১৯২০২১২২
    ২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
    ৩০৩১  
  • ফেসবুকে daynightbd.com