• শিরোনাম

    প্রত্যাহার করা হল সেই ডিআইজি মিজানকে

    নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৯ জানুয়ারি ২০১৮

    প্রত্যাহার করা হল সেই ডিআইজি মিজানকে

    এক নারীকে জোর করে তুলে নিয়ে বিয়ের পর নির্যাতনের অভিযোগে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার মিজানুর রহমানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাকে পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত করা হয়। মিজানের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান।

    আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে, গত রোববার ডিআইজি মিজানের খবরটি গণমাধ্যমে আসার পর তা নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়। এরই প্রেক্ষিতে তাকে প্রত্যাহার করা হল।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তার বিষয়ে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আমরা তাকে ডিএমপি থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করেছি। সোমবার থেকে শুনু হওয়া পুলিশ সপ্তাহের অনুষ্ঠান শেষে মিজানের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু হবে। কোনো ব্যক্তির দায় বাহিনী নেবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। অপরাধ করে কেউ পার পাবে না। পুলিশের অনেক সদস্যও বিভিন্ন অপরাধে কারাগারে রয়েছে।

    পুলিশ সদর দপ্তরের একজন কর্মকর্তা জানান, আজ সকালেই ডিআইজি মিজানের প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত হয়। দুপুরে তার প্রত্যাহারের ব্যাপারে চিঠি ইস্যু হয়। পুলিশ সদর দফতরের এআইজি (মিডিয়া) সহেলী ফেরদৌস বলেন, ডিআইজি মিজানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে তিনি জেনেছেন। তবে এ সংক্রান্ত চিঠি হাতে পেলে বিস্তারিত বলা যাবে।

    ডিআইজি মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে এক নারী বলেন, পান্থপথের স্কয়ার হাসপাতালের কাছে তার বাসা। গত বছরের জুলাইয়ে সেখান থেকে কৌশলে তাকে তুলে নিয়ে গিয়েছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা মিজান। পরে বেইলি রোডের মিজানের বাসায় নিয়ে তিনদিন আটকে রাখা হয়েছিল তাকে। আটকে রাখার পর বগুড়া থেকে তার মাকে ১৭ জুলাই ডেকে আনা হয় এবং ৫০ লাখ টাকা কাবিননামায় মিজানকে বিয়ে করতে বাধ্য করা হয়। পরে লালমাটিয়ার একটি ভাড়া বাড়িতে তাকে স্ত্রীর মর্যাদা দিয়ে রাখেন আগে থেকেই বিবাহিত মিজান।

    ওই নারীর অভিযোগ, কয়েক মাস কোনো সমস্যা না হলেও ফেসবুকে স্ত্রী পরিচয় দিয়ে একটি ছবি পোস্ট করার পর ক্ষিপ্ত হন মিজান। ভাংচুরের মিথ্যা একটি মামলা দিয়ে তাকে গত ১২ ডিসেম্বর কারাগারে পাঠানো হয়। সেই মামলায় জামিন পাওয়ার পর মিথ্যা কাবিননামা তৈরির অভিযোগে আরেকটি মামলা করানো হয়। ওই মামলাতেও জামিনে বেরিয়ে এসে ডিআইজির মিজানের অভিযোগ তোলেন ওই নারী। তবে বিয়ে ও মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে মিজানের দাবি, ওই নারী একজন প্রতারক।

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫১৬
    ১৭১৮১৯২০২১২২২৩
    ২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
    ৩১  
  • ফেসবুকে daynightbd.com