• শিরোনাম

    অস্ত্রধারীদের ভিডিও ফুটেজ দেখে খোঁজা হচ্ছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৯ জানুয়ারি ২০১৮

    অস্ত্রধারীদের ভিডিও ফুটেজ দেখে খোঁজা হচ্ছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    নারায়ণগঞ্জে মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী ও সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমানের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় ভিডিও ফুটেজ দেখে অস্ত্রধারীদের খোঁজা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। গতকাল রাজধানীর তেজগাঁওয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে (ডিএনসি) ‘কেন্দ্রীয় মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র ৫০ শয্যা থেকে ১০০ শয্যায় উন্নীতকরণ’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নারায়ণগঞ্জে একটা দুঃখজনক ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষ কী কারণে হল, কারা করলো তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। অস্ত্রধারীদের ভিডিও ফুটেজ দেখে ধরার চেষ্টা করা হচ্ছে। ওই সংঘর্ষেও ঘটনা তদন্তে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন ইতোমধ্যে একটি কমিটি গঠন করেছে। যারা অস্ত্র দেখিয়েছে, যারা নিজের হাতে আইন তুলে নিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। তদন্তের স্বার্থে যা যা করার দরকার আমরা করছি।

    তিনি আরও বলেন, নারায়নগঞ্জের জনপ্রতিনিধির সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে আলোচনা করেছি। তাদের বলেছি এ ধরনের কর্মকান্ড বন্ধ করুন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এগুলো পছন্দ করছেন না। ব্যবস্থা নিতে হবে আমাদের। গত মঙ্গলবার শহরের ফুটপাত হকারমুক্ত করা নিয়ে মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীর ও শামীম ওসমান সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে আইভী এবং ১০ সাংবাদিকসহ অর্ধশত ব্যক্তি আহত হন। ঘটনাস্থলে শামীম ওসমানের ক্যাডার বলে পরিচিত নিয়াজুল ইসলামকে অস্ত্র হাতে দেখা যায়। ওই সংঘর্ষের ঘটনা তদন্তে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন ইতোমধ্যে একটি কমিটি গঠন করেছে।

    স্থানীয় সরকার মন্ত্রী খোন্দকার মোশাররফ হোসেন গত বুধবার সাংবাদিকদের বলেছেন, ক্ষমতাসীন দলের দুই নেতার ব্যক্তিগত দন্ধ থেকে এই সংঘর্ষ বাঁধে বলে তিনি মনে করছেন। নারায়ণগঞ্জে আওয়ামী লীগের এই দুই নেতার বিরোধ দীর্ঘদিনের। সংঘর্ষের পর আইভী তার উপর হামলার জন্য শামীম ওসমানকে দায়ী করেন। শামীম সমর্থকদের মাঝে অস্ত্র হাতে উপস্থিত নিয়াজুল ইসলামকে গ্রেফতার না করায় সমালোচনাও করেন তিনি।

    শামীম ওসমান দাবি করেছেন, আইভী সমর্থকদের হামলার মুখে আত্মরক্ষায় নিজের লাইসেন্স করা অস্ত্র বের করেছিলেন নিয়াজুল। নিয়াজুল এখন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। তাকে আইভীর প্রিয় বন্ধু সুফিয়ানসহ বিএনপির ক্যাডাররা ধরে তিন দফা মারধর করেছে। চতুর্থ দফায় সে আত্মরক্ষার্থে পিস্তল বের করেছে। কিন্তু কোনো গুলি ছোড়ে নাই। সরকার তাকে অস্ত্রের লাইসেন্স দিয়েছে তো আত্মরক্ষার্থে।

    নিয়াজুলের পরিচয় তুলে ধরে শামীম বলেন, নিয়াজুল আওয়ামী লীগের সাহসী নেতা নজরুল ইসলাম সুইটের ছোট ভাই। যে সুইট বিএনপি শাসন আমলে খালেদা জিয়াকে কালো পতাকা দেখিয়েছিল। সুইটকে জেলখানা থেকে বের করে এনে র‌্যাব দিয়ে রাস্তার উপর গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। নিয়াজুল ভাই হত্যার বিচার পায় নাই। তাদের পরিবারের কেউ রাজনীতিতে নাই। সে বিশাল মার্কেটের মালিক ও প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। শামীম পাল্টা অভিযোগ করেছেন, আইভী সমর্থক ঠিকাদার আবু সুফিয়ানই সেদিন অস্ত্র প্রদর্শন করেছিলেন।

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২
    ১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
    ২০২১২২২৩২৪২৫২৬
    ২৭২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে daynightbd.com