মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল ও ইরানের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় বাংলাদেশ। তেলের তীব্র সংকটের আশঙ্কা ছড়িয়ে পড়ায় অধিকাংশ ফিলিং স্টেশনে ব্যক্তিগত গাড়ি, মোটরসাইকেল এবং বাসের দীর্ঘ সারি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। প্রয়োজনের চেয়ে অতিরিক্ত তেল সংগ্রহে ব্যস্ত চালকরা। অতিরিক্ত তেল সংগ্রহে অনেক পাম্পে তেল ফুরিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া যায়।
শুক্রবার (০৬ মার্চ) রাত থেকে রাজধানীর মাতুয়াইল থেকে শুরু করে মোহাম্মদপুর, মিরপুর, মগবাজারের অধিকাংশ ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ সারি লক্ষ্য করা যায়।
মিরপুরে এক মোটরসাইকেল চালক বলেন, “দেশে তেল সংকটের কথা শোনা যাচ্ছে, যেকোনো সময় তেলের দাম বাড়তে পারে তাই ট্যাংক ফুল করে রাখলাম।”
একজন ট্রাক চালক বলেন, “সোশ্যাল মিডিয়া থেকে জানতে পারি দেশে তেলের দাম বাড়বে, তাই ট্যাংক ফুল করে নিচ্ছি আর অতিরিক্ত তেল নিয়ে রাখছি।”
মিরপুর সোহরাব সার্ভিস স্টেশন লি. এর সামনে দীর্ঘ লাইন থাকলেও শেষ পর্যন্ত পাম্প কর্তৃপক্ষ জানায়—তাদের তেল শেষ হয়ে গেছে।
যানজট পরিস্থিতি: অধিকাংশ ফিলিং স্টেশনগুলো রাস্তার পাশে হওয়ায় গাড়ির দীর্ঘ লাইন থাকায় তীব্র যানজট লক্ষ্যণীয়।
ইরান ও ইসরায়েলের পাল্টাপাল্টি হামলার জেরে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রুট ‘হরমুজ প্রণালি’ দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ। বাংলাদেশের অধিকাংশ তেল আমদানি করে সৌদি আরব ও কুয়েত থেকে যার বড় অংশই আসে হরমুজ প্রণালি থেকে। তেল আমদানি বন্ধ থাকায় তেল সংকটে দাম বাড়ার আশঙ্কায় হতাশায় ভুগছেন চালকরা।



মন্তব্য করুন