ঢাকা
০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
আইনের ফাঁকে আটকে রাখা যায় না মাদক কারবারি ও ছিনতাইকারীদের : আইজিপি আমরা ১৮ কোটি মানুষের পক্ষে রাস্তায় নেমেছি: জামায়াত আমির লংমার্চে বাধা দিলে ৬ দফা দাবি ১ দফায় পরিণত হবে: নাহিদ ইসলাম নেপালের সেই টানেলে শেষ হলো উদ্ধারকাজ, বেঁচে নেই আর কেউ কুড়িগ্রাম সীমান্তে ২১ লাখ টাকার ভারতীয় চোরাচালানি পণ্য জব্দ রাবিতে তালা উপজেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির যাত্রা শুরু, নেতৃত্বে তানভীর-রাকিব শাড়িকাণ্ডে তানজিন তিশাকে অব্যাহতির প্রতিবেদনে নারাজি বাদী প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ তিন বছরে চার শতাধিক গার্মেন্টস কারখানা বন্ধ হয়েছে : সংসদে বাণিজ্যমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর রবিবার প্রথমবার ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন মির্জা ফখরুল
Advertise with us

নেপালের সেই টানেলে শেষ হলো উদ্ধারকাজ, বেঁচে নেই আর কেউ

ডেস্ক রিপোর্ট
শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬   ৬ বার পঠিত
নেপালের সেই টানেলে শেষ হলো উদ্ধারকাজ, বেঁচে নেই আর কেউ

ছবি: <--ছবির সোর্স সিলেক্ট করুন-->

নেপালের ত্রিশূলী ৩-এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের যে সুড়ঙ্গ থেকে শুক্রবার দুই শ্রমিককে উদ্ধার করা হয়েছিল, সেখানে আর কেউই বেঁচে নেই। সুড়ঙ্গের শেষ প্রান্ত পর্যন্ত গিয়ে তা নিশ্চিত করেছেন উদ্ধারকারীরা। সেখানে আর কাউকে জীবিত বা মৃত অবস্থায় উদ্ধারের সম্ভাবনাও নেই। ফলে ওই সুড়ঙ্গে উদ্ধারকাজ শেষ করে দেওয়া হয়েছে।

নেপালের সশস্ত্র পুলিশবাহিনীর (এপিএফ) সাত সদস্যের একটি বিশেষ দল শুক্রবার ত্রিশূলীর সুড়ঙ্গে প্রবেশ করে। দলটির নেতৃত্বে ছিলেন হেড কনস্টেবল পবন বাহাদুর তামাং। নেপালি সেনাবাহিনীর একটি দলও উদ্ধারকাজে যোগ দেয়।

এপিএফ সদস্য অম্বর মাহাত সুড়ঙ্গ থেকে বেরিয়ে বলেন, পুরো প্রকল্পটির প্রত্যেক অংশ কাদা ও মাটিতে চাপা পড়ে গেছে। কোনো কোনো অংশ পাথরে ভরে রয়েছে। তারা সুড়ঙ্গের ভেতর হামাগুড়ি দিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট এগিয়েছেন। যেখানেই খুঁজেছেন, শুধু কাদা ও মাটি পেয়েছেন। বানের পানির চাপে সুড়ঙ্গের ওপরের স্ল্যাবও ধসে গেছে বলে জানিয়েছেন উদ্ধারকারীরা।

গত ২৬ আগস্ট বুধবার সকালে ভোটেকোশী ও ত্রিশূলী নদীতে আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়। ওই সময় নেপালের বিভিন্ন প্রান্তে অন্তত ছয়টি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ চলছিল। প্রতিটি প্রকল্পেই সুড়ঙ্গ কেটে মাটির নিচে পাওয়ারহাউস নির্মাণ করা হয়েছিল। বন্যায় সবকটি প্রকল্পই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিভিন্ন নেপালি সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, শুধু সুড়ঙ্গগুলোতেই ৯০০ শ্রমিক নিখোঁজ রয়েছেন।

এই পরিস্থিতিতে বিভিন্ন স্থানে জোরকদমে উদ্ধারকাজ চলছিল। কাদা ও মাটির স্তূপ সরিয়ে শ্রমিকদের খুঁজছিলেন নেপালি সেনা ও পুলিশের সদস্যরা। নয় দিন পর ত্রিশূলীর সুড়ঙ্গ থেকে দুই শ্রমিককে জীবিত উদ্ধার করা হয়। একই সুড়ঙ্গ থেকে এক শ্রমিকের মরদেহও উদ্ধার করা হয়েছিল।

উদ্ধার হওয়া দুই শ্রমিকের নাম সঞ্জয় শাহ ও কবীর মহারাজন। তাদের উদ্ধারের সময় সুড়ঙ্গের ভেতর থেকে আরও কণ্ঠস্বর ভেসে আসছে বলেও দাবি করা হয়েছিল।

তবে উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা সুড়ঙ্গের শেষ প্রান্ত পর্যন্ত গিয়ে তল্লাশি চালিয়ে আর কাউকে পাননি। সঞ্জয় ও কবীরকে চিকিৎসার জন্য কাঠমান্ডুতে পাঠানো হয়েছে।

সুড়ঙ্গ থেকে বেরিয়ে সঞ্জয় জানান, বন্যার পানি আসছে শুনে তিনি সুড়ঙ্গের ভেতর থাকা অন্যদের বের করে আনার চেষ্টা করছিলেন। এতে দেরি হয়ে যায় এবং তিনি নিজেও আর বের হতে পারেননি। টানা নয় দিন সুড়ঙ্গের ভেতরে তিনি মন্ত্র জপ ও ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেছেন। সেখান থেকে জীবিত বের হতে পারবেন, তা তিনি ভাবেননি।

শুক্রবার পর্যন্ত হড়পা বানে নেপালে ১ হাজার ২৮৭টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও ৫ হাজার ৩০০-এর বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।

Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us
আর্কাইভ
SuMoTuWeThFrSa