ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার ৫ নম্বর বড়ইয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. আতিকুর রহমান আতিক আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল থেকে দিনব্যাপী ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ভোটারদের মধ্যে লিফলেট বিতরণ করেন তিনি। এ সময় ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময়ের পাশাপাশি নিজের নির্বাচনী পরিকল্পনা ও বিভিন্ন প্রতিশ্রুতির কথা তুলে ধরেন।
মো. আতিকুর রহমান আতিক ঝালকাঠি ও বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি। তাঁর সমর্থকদের দাবি, নির্বাচনী প্রচারণা শুরুর আগে থেকেই তিনি বড়ইয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং করে তরুণ ও যুবসমাজকে মাদক থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে আসছেন। পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে ইউনিয়নের দরিদ্র, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রয়েছেন তিনি।
স্থানীয় কয়েকজন ভোটার বলেন, আতিকুর রহমান আতিক এলাকায় ভালো মানুষ হিসেবে পরিচিত। তাঁর আর্থিক সচ্ছলতা থাকায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে দরিদ্র মানুষের জন্য বরাদ্দ করা সরকারি সুযোগ-সুবিধা প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছে দেবেন বলে তাঁরা আশা করেন।
চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. আতিকুর রহমান আতিক বলেন, “আমি মানুষের ভালোবাসা ও আস্থাকে সবচেয়ে বড় শক্তি মনে করি। জনগণ যদি আমাকে যোগ্য মনে করে এবং ভোট দিয়ে নির্বাচিত করে, তাহলে তাদের দেওয়া দায়িত্ব সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করব। বড়ইয়া ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, সুন্দর ও মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করব।”
মাদকবিরোধী উদ্যোগের বিষয়ে তিনি বলেন, “মাদক আমাদের তরুণ প্রজন্মকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। তাই চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে বড়ইয়া ইউনিয়নকে মাদকমুক্ত করতে সর্বাত্মক উদ্যোগ নেব। তরুণ ও যুবকদের খেলাধুলা, শিক্ষা এবং বিভিন্ন সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার পাশাপাশি মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলব। এ ক্ষেত্রে পরিবার, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি ও সমাজের সচেতন মানুষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।”
দরিদ্র ও অসহায় মানুষের অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়ে আতিক বলেন, “ইউনিয়নের গরিব ও অসহায় মানুষের অধিকার নিশ্চিত করাই হবে আমার অন্যতম অগ্রাধিকার। সরকারের পক্ষ থেকে দরিদ্র মানুষের জন্য যে বরাদ্দ আসবে, তা সঠিকভাবে যাচাই-বাছাই করে প্রকৃত উপকারভোগীদের মধ্যে স্বচ্ছতার সঙ্গে বিতরণ করা হবে। কোনো ধরনের অনিয়ম বা বৈষম্যকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। জনগণের সেবা করাই হবে আমার মূল লক্ষ্য।”
ভোটারদের সমর্থন ও সহযোগিতা কামনা করে তিনি আরও বলেন, “আমি প্রতিশ্রুতির রাজনীতি নয়, মানুষের পাশে থেকে কাজ করার রাজনীতিতে বিশ্বাস করি। নির্বাচিত হলে বড়ইয়া ইউনিয়নের উন্নয়ন, নাগরিক সেবা ও মানুষের কল্যাণে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করব।”



মন্তব্য করুন