ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া ও রাজাপুরে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পৃথক মাদকবিরোধী অভিযানে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় রাজাপুর থেকে ১০ পিস ইয়াবা, মাদক বিক্রির ২ হাজার ১৫০ টাকা এবং দুটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাতে কাঁঠালিয়া উপজেলার চেচরি রামপুর ইউনিয়নের মহিষকান্দি এবং রাজাপুর উপজেলার গালুয়া ইউনিয়নের কানুদাসকাঠি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতে কাঁঠালিয়া উপজেলার চেচরি রামপুর ইউনিয়নের মহিষকান্দি এলাকায় আনোয়ার হোসেনের (২৮) বসতঘরে অভিযান চালায় ডিবি পুলিশের একটি দল। এ সময় নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবনরত অবস্থায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ডোপ টেস্টে তাঁর শরীরে অ্যামফিটামিনের (ICT) উপস্থিতি পাওয়া যায়।
অন্যদিকে, রাতে রাজাপুর উপজেলার গালুয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কানুদাসকাঠি এলাকায় আলমগীর হোসেন হাওলাদারের টিনশেড বসতঘরে অভিযান চালায় ডিবি পুলিশ। এ সময় ১০ পিস ইয়াবা, মাদক বিক্রির ২ হাজার ১৫০ টাকা, একটি ভিভো ২১ অ্যান্ড্রয়েড ফোন ও একটি আইফোন ১৪ প্রো ম্যাক্সসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন ওই এলাকার আলমগীর হোসেন হাওলাদারের ছেলে রিয়াদ হাওলাদার (২১) এবং পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার নয়াখালী এলাকার মৃত হারুন গাজীর ছেলে সোহেল গাজী (৪৩) ও হেতালিয়া এলাকার দুলাল আকনের ছেলে গোলাম রাব্বি (২০)।
ডিবি পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার তিনজনের ডোপ টেস্টে রিয়াদ হাওলাদারের শরীরে অ্যামফিটামিন, সোহেল গাজীর শরীরে অ্যামফিটামিন ও ক্যানাবিনয়েডস এবং গোলাম রাব্বির শরীরে ক্যানাবিনয়েডসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় কাঁঠালিয়ায় গ্রেপ্তার আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে এবং রাজাপুরে গ্রেপ্তার তিনজনের বিরুদ্ধে একই আইনে পৃথক মামলা করা হয়েছে।
জেলা গোয়েন্দা শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হুমায়ুন কবির বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পৃথক অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় ইয়াবা, মাদক বিক্রির টাকা ও মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। মাদক নির্মূলে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।


মন্তব্য করুন