আল্লাহ তায়ালার সঙ্গে মানুষের কথাবার্তা বলার অন্যতম সুযোগ নামাজ। আল্লাহর রাসুল (সা.)-কে নামাজের নিয়মাবলি শিখিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর অন্যথা করার সুযোগ নেই। ফরজ নামাজে সেজদায় গিয়ে ‘সুবহানা রাব্বিআল আলা’ পড়তে হয়। তবে নফল নামাজে এর সঙ্গে অন্য দোয়াও পড়া যায়। হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদিন আমি রাসুল (সা.)-এর পাশেই ঘুমন্ত অবস্থায় ছিলাম।

রাতের মাঝে আমি রাসুল (সা.)-কে বিছানা থেকে হারিয়ে ফেললাম। তখন (অন্ধকারে) তাঁকে খুঁজতে থাকি। একপর্যায়ে রাসুল (সা.)-এর দুই পায়ের ওপরে হাত পড়ল। তখন রাসুল (সা.) সেজদারত ছিলেন এবং তিনি এই দোয়া পড়ছিলেন-‘আউজু বি-রিজাকা মিন সাখাতিকা, ওয়া বিমুআফাতিকা মিন উকুবাতিকা, লা উহসি ছানাআন আলাইকা আনতা কামা আছনাইতা আলা নাফসিকা’, অর্থাৎ ‘হে আল্লাহ, আমি তোমার অখুশি থেকে তোমার খুশির আশ্রয় চাই, তোমার শাস্তি থেকে তোমার ক্ষমার আশ্রয় চাই, তোমার পূর্ণ প্রশংসা করা আমার সাধ্যাতীত, তুমি তেমন গুণেই গুণান্বিত যেভাবে তুমি নিজের গুণ উল্লেখ করেছ।’ (তিরমিজি : ৩৪৯৩)