ঢাকা
২৫ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
ষষ্ঠ থেকে স্নাতক পর্যন্ত মেয়েদের উপবৃত্তি ফের চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বাড়ির ছাদে ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়ায় রংপুরে চারজনকে হত্যা ভূরুঙ্গামারীতে জিপিএ-৫ পাওয়া ১০৫ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ ২০২৭ সালের এসএসসির সময়সূচি চূড়ান্ত, পরীক্ষা শুরু ১৪ মার্চ জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী অটোরিকশা চার্জ দেওয়ার সময় শর্টসার্কিট, ৩০ মিনিটের চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে,ক্ষয়ক্ষতি ৩০ লাখ ইবিতে সিসিআরটিবি’র ক্যান্সার সচেতনতায় অ্যান্টিক্যান্সার ফল বিতরণ কর্মসূচি হত্যার পর গোসল করে খেজুর ও ইয়াবা সেবন করে খুনিরা: পুলিশ কাকতাড়ুয়া পাপেট থিয়েটারের ৬ বছর পূর্তিতে দুই দিনব্যাপী পুতুলনাট্য উৎসব
Advertise with us

জ্বালানি সংকট: অনলাইন ক্লাস ও হোম অফিস চালুর ভাবনায় সরকার

ডেনাইটবিডি ডেস্ক
সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬   ৫৮ বার পঠিত
জ্বালানি সংকট: অনলাইন ক্লাস ও হোম অফিস চালুর ভাবনায় সরকার

ছবি: <--ছবির সোর্স সিলেক্ট করুন-->

বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাব পড়ে দেশের জ্বালানি খাতে তৈরি হয়েছে বাড়তি চাপ। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় কৃচ্ছ্রসাধনমূলক একগুচ্ছ পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার, যার মধ্যে রয়েছে আংশিক অনলাইন ক্লাস চালু ও সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ ব্যবস্থা।

নীতিনির্ধারক পর্যায়ের আলোচনা অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি, আমদানিতে ব্যয় বৃদ্ধি এবং ডলার সংকটের কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতি সামাল দিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা এবং সরবরাহ অনিশ্চয়তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

সরকারি সূত্র জানায়, আপাতত তিন মাসের একটি স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। পরিস্থিতি অবনতি হলে মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি কৌশলও গ্রহণ করা হতে পারে। ইতোমধ্যে সব সরকারি সংস্থাকে জ্বালানি সাশ্রয়ে নিজস্ব প্রস্তাব দিতে বলা হয়েছে, যা আসন্ন মন্ত্রিসভা বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে।

আলোচনায় থাকা সম্ভাব্য পদক্ষেপগুলোর মধ্যে রয়েছে সাপ্তাহিক ছুটি একদিন বাড়ানো, সপ্তাহে দুই দিন ঘরে বসে কাজের সুযোগ দেওয়া, অফিস সময়সূচিতে পরিবর্তন আনা এবং কাজের মোট সময় কমানো। এছাড়া বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে আংশিক অনলাইন ক্লাস চালুর বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে।

জ্বালানি সাশ্রয়ের পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ কমাতে অপ্রয়োজনীয় সরকারি ঋণ পরিহার এবং কর্মকর্তাদের বিদেশ সফরে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের প্রস্তাবও আলোচনায় রয়েছে। তবে এই মুহূর্তে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর কোনো সিদ্ধান্ত নিতে চায় না সরকার।

সরকার মূলত ‘ডিমান্ড সাইড ম্যানেজমেন্ট’ (ডিএসএম) কৌশলের ওপর জোর দিচ্ছে- অর্থাৎ বিদ্যুতের ব্যবহার কমিয়ে ও সচেতনভাবে ব্যবহার নিশ্চিত করে সংকট মোকাবিলা করা। ইতোমধ্যে সরকারি অফিসগুলোতে প্রাকৃতিক আলো ব্যবহারের পরামর্শ, এসির তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে রাখা এবং অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এসব নির্দেশনা বাস্তবায়নে বিশেষ নজরদারি দল গঠনের পরিকল্পনাও রয়েছে।

বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অস্থিরতার অন্যতম কারণ হরমুজ প্রণালি ঘিরে অনিশ্চয়তা। এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দিয়ে বিশ্বে বিপুল পরিমাণ তেল ও এলএনজি পরিবাহিত হয়। ফলে সেখানে কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটলে বাংলাদেশের মতো আমদানিনির্ভর দেশ সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

সরকারি কর্মকর্তারা জানান, জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ইতোমধ্যে ব্যয়বহুল ফার্নেস অয়েল এবং খোলা বাজার থেকে উচ্চমূল্যে এলএনজি আমদানি করা হচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির বাইরে গিয়ে স্পট মার্কেট থেকে জ্বালানি কিনতে বাধ্য হওয়ায় ব্যয় আরও বেড়েছে।

সব মিলিয়ে, বৈশ্বিক সংকটের প্রভাব সামাল দিতে সরকার এখন জ্বালানি ব্যবহারে সংযম এবং বিকল্প ব্যবস্থাপনার ওপর জোর দিচ্ছে। আসন্ন মন্ত্রিসভা বৈঠকেই এসব প্রস্তাবের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

সূত্র: দ্য ডেইলি স্টার

Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us
আর্কাইভ
SuMoTuWeThFrSa