ঢাকা
০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বেষ্টনীতে ‘প্রবেশের চেষ্টা’, সেই যুবক রিমান্ডে রাজাপুরে বিএসটিআই অনুমোদনহীন পণ্য জব্দ, গোডাউন মালিককে জরিমানা যথাসময়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারত সফর করবেন: দীনেশ ত্রিবেদী মাঠ-অবকাঠামো সংস্কারের দাবিতে জাবির প্রশাসনিক ভবনে তালা ২ দিনের সফরে নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল পতিত স্বৈরাচার আসলে আপনিও কিন্তু তার থেকে রক্ষা পাবেন না ডেঙ্গু প্রতিরোধে দেশজুড়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর আইনের ফাঁকে আটকে রাখা যায় না মাদক কারবারি ও ছিনতাইকারীদের : আইজিপি আমরা ১৮ কোটি মানুষের পক্ষে রাস্তায় নেমেছি: জামায়াত আমির লংমার্চে বাধা দিলে ৬ দফা দাবি ১ দফায় পরিণত হবে: নাহিদ ইসলাম
Advertise with us

শতভাগ উপস্থিত শিক্ষার্থীদের জন্য ‘অ্যাওয়ার্ড অব এক্সিলেন্স’ চালু করলেন ড.মো.শিবলুর রাহমান।

নোবিপ্রবি প্রতিনিধি:
সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬   ৩৩ বার পঠিত
শতভাগ উপস্থিত শিক্ষার্থীদের জন্য ‘অ্যাওয়ার্ড অব এক্সিলেন্স’ চালু করলেন ড.মো.শিবলুর রাহমান।

ছবি: <--ছবির সোর্স সিলেক্ট করুন-->

শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিতি ও নিয়মানুবর্তিতায় উৎসাহিত করতে ব্যক্তিগত উদ্যোগে ‘অ্যাওয়ার্ড অব এক্সিলেন্স’ চালু করেছেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক এবং পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শিবলুর রাহমান।

২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষ থেকে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় শতভাগ ক্লাসে উপস্থিত থাকা বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের সনদ, ও বিভিন্ন রকমের অ্যাওয়ার্ড (বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগো সম্বলিত ক্যাপ, মগ, পানির বোতল) দিয়ে সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।

পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের ২০২৩–২৪ শিক্ষাবর্ষের মো. মোস্তাকিম মিয়া, মো. রকিবুল ইসলাম রকি ও প্রীতম চন্দ্র কুরি রয়েছেন। ২০২২–২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা হলেন রাকিব হাসান, অলক দেবনাথ, আবদুর রহমান জুবায়ের ও মীর মুজাহিদুজ্জামান। এছাড়া ২০২১–২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা হলেন মো. মাসুদুর রহমান (সৈকত), মোসাঃ চম্পা খাতুন, আইরিন সুলতানা রিয়া, হাফসা আক্তার ও মেহেদী হাসান।

অধ্যাপক ড. মো. শিবলুর রাহমান বলেন, জাপানসহ বিভিন্ন দেশে উচ্চতর প্রশিক্ষণের সময় শিক্ষার্থীদের মেধা, শৃঙ্খলা ও নিয়মানুবর্তিতা বিকাশে বিভিন্ন কার্যকর পদ্ধতি দেখেছেন তিনি। সেই অভিজ্ঞতা দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য কাজে লাগাতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, “এ উদ্যোগের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা আর্থিক সহায়তা নেওয়া হয়নি। শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে ব্যক্তিগত অর্থায়নে এ কার্যক্রম শুরু করেছি। ভবিষ্যতেও এটি অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।”

শিক্ষার্থীদের কল্যাণ ও তাঁদের সুপ্ত প্রতিভার বিকাশে ভবিষ্যতে আরও কিছু অনুপ্রেরণামূলক ও যুগোপযোগী উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তিনি। ভবিষ্যতে তিনি বিভিন্ন সেমিস্টারে তাঁর পড়ানো কোর্স ও ক্লাসগুলোর উপর ‘Students Evaluation’চালু করবেন এবং এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের চাহিদামত যুগের সাথে তাল মিলিয়ে কোর্স ও ক্লাসগুলো আপডেট করবেন।

পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী মো. মোস্তাকিম মিয়া বলেন, “শিক্ষাজীবনে শিক্ষকদের কাছ থেকে পুরস্কার বা স্বীকৃতি পাওয়া সবসময়ই অনুপ্রেরণার। ১০০ শতাংশ উপস্থিতির জন্য পাওয়া এই স্বীকৃতি ভবিষ্যতে আরও দায়িত্বশীল ও নিয়মানুবর্তী হতে উৎসাহিত করবে।”

আরেক পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী আবদুর রহমান জুবায়ের বলেন, “ক্লাসে নিয়মিত উপস্থিতির জন্য এ ধরনের স্বীকৃতি পাওয়া আমাদের জন্য আনন্দের ও উৎসাহব্যঞ্জক। এটি শুধু পুরস্কার নয়, নিয়মিত ক্লাস ও পড়াশোনার প্রতি আরও দায়িত্বশীল হওয়ার অনুপ্রেরণা।”

Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us
আর্কাইভ
SuMoTuWeThFrSa