• শিরোনাম

    নার্সের পোশাক পরে হাসপাতাল থেকে নবজাতক চুরি

    ডেনাইট ডেস্ক | শুক্রবার, ০৯ জুন ২০২৩

    নার্সের পোশাক পরে হাসপাতাল থেকে নবজাতক চুরি

    নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতাল থেকে নবজাতক চুরির ঘটনা ঘটেছে। চুরি যাওয়া নবজাতকটি নলডাঙ্গা উপজেলার মহিষডাঙ্গা গ্রামের মাহফুজুর রহমান পলাশ ও হাসনা হেনা শিল্পী দম্পতির প্রথম সন্তান।

    পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গৃহবধূ হাসনা হেনা শিল্পী সন্তান প্রসবের জন্য বুধবার নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালের প্রসূতি ওয়ার্ডে ভর্তি হন। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে তিনি একটি কন্যা সন্তান প্রসব করেন।

    নবজাতকটি নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত থাকায় কিছু সময়ের মধ্যেই তাকে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে নিয়ে ভর্তি করা হয়। শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করা হলেও শিশুটি গাইনি ওয়ার্ডের ৯ নম্বর বেডে তার মায়ের সাথেই ছিল। শুক্রবার সকালে হাসনা হেনা শিল্পীর সাথে তার শাশুড়ি খায়রুন নাহারকে রেখে অন্যরা বাড়ি যায়।

    এই সুযোগে দুপুর পৌনে ১২টার দিকে হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডের ৯ নম্বর বেড থেকে সেবিকার পোশাক পরা মধ্য বয়সী এক নারী নবজাতকটিকে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে নিয়ে নিউমোনিয়ার চিকিৎসা দেওয়ার কথা বলে দাদির নিকট থেকে নিয়ে যায়। প্রায় সাথে সাথেই নবজাতকের দাদি খায়রুন নাহার শিশু ওয়ার্ডে ছুটে গিয়ে ঐ নারী ও তার নাতনিকে আর খুঁজে পায়নি।

    এসময় তার চিৎকারে হাসপাতালের লোকজন বিষয়টি পুলিশকে জানায়। খবর পেয়ে নাটোর থানার ওসি (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদসহ অন্য পুলিশ কর্মকর্তারা তাৎক্ষণিক হাসপাতালে ছুটে আসেন।

    তারা হাসপাতালের সিসি টিভির ফুটেজ পরীক্ষা করে দেখেন সকাল ১১টা ৩৬ মিনিটে সেবিকার পোশাক পরা মধ্য বয়সী ঐ নারী নবজাতকটিকে কোলে নিয়ে সোজা হাসপাতালের মেইন গেট দিয়ে বের হয়ে একটি অটোরিকশা নিয়ে বাহিরে চলে যায়। সদ্য প্রসূত শিশুটি চুরি হওয়ার পর থেকে শিশুটির দাদি ও নানির চিৎকারে হাসপাতালের পরিবেশ ভারি হয়ে উঠেছে।

    নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার আবু সাঈদ সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বিষয়টি সাথে সাথেই তারা নাটোর থানা পুলিশকে জানান। নাটোর সদর থানার ওসি (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ জানান, বিষয়টি শুনে তাৎক্ষণিক তারা সিসি টিভির ফুটেজ দেখে ঐ নারীকে আটক এবং শিশুটিকে উদ্ধার করতে অভিযান শুরু করেছেন। আশা করছেন খুব তাড়াতাড়ি তারা শিশুটিকে উদ্ধার করে তার মায়ের কোলে ফিরিয়ে দিতে পারবেন।

    হাসপাতালের অন্য রোগীর স্বজনরা বলেছেন, গাইনি ওয়ার্ডের ভিতরে নিমার্ণ কাজ চলছে। ইট বালি সিমেন্ট পানি দিয়ে খুব খারাপ পরিবেশের মধ্যে তাদের চিকিৎসা চলছে। রোগীর লোকজন ছাড়াও নির্মাণ কাজ চলার সুযোগে অন্য অনেক মানুষ ওয়ার্ডে অবাধে যাতায়াত করায় সহজেই এই নবজাতক চুরির ঘটনা ঘটেছে।

    Facebook Comments Box

    বাংলাদেশ সময়: ১২:৪১ অপরাহ্ণ | শুক্রবার, ০৯ জুন ২০২৩

    daynightbd.com |

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
    ১০১১১২১৩১৪
    ১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
    ২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
    ২৯৩০৩১