https://daynightbd.com


কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গতকাল সমাবেশ শেষে সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে আজ রবিবার থেকে সারাদেশে অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। এছাড়া, আজ রাজধানীসহ সারাদেশের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে বিক্ষোভ ও গণসমাবেশের কর্মসূচিও দেওয়া হয়। ঘোষিত এ কর্মসূচির প্রভাব পড়েছে রাজধানীতে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বেশিরভাগ সড়কে চলছে শুধু রিকশা। এ ছাড়া রয়েছে কিছু সিএনজিও। ভোরের দিকে কিছু লোকাল বাস দেখা গেলেও বেলা বাড়ার সাথে সাথে সেটাও খুব একটা চোখে পড়ছে না। এরপরও মাঝেমধ্যে রাজপথে কয়েকটি বাসের দেখা মিললেও, এতে হুমড়ি খেয়ে পড়তে দেখা গেছে যাত্রীদের। গণপরিবহন সংকটে ভোগান্তিতে পড়েছেন অফিসগামী যাত্রী, জরুরি প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হওয়া মানুষ।
আজ সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, মুগদা, শাহবাগ, সায়েন্সল্যাব, মালিবাগ, রামপুরা, নতুনবাজার, উত্তরা এলাকায় গণপরিবহন সংকট দেখা যায়। রাস্তায় বাসের অপেক্ষায় অনেক অফিসগামী যাত্রীকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। গণপরিবহন না পেয়ে অনেক যাত্রী রিকশা, মোটরসাইকেল বা সিএনজিতে করে রওনা হন। অনেক যাত্রীকে লেগুনায় বাদুড়ঝোলা হয়ে যেতে দেখা গেছে। আবার অনেকে পিকআপে করে গন্তব্যে গেছেন।
গণপরিবহন না পেয়ে অনেক যাত্রীকে দেখা গেছে রিকশা বা সিএনজি নিয়ে রওনা দিতে। অনেকে অ্যাপস ভিত্তিক পরিবহন সেবা নিচ্ছেন, অনেক যাত্রীকে বাস আসবে আশায় অপেক্ষায় দেখা যায়। অনেক যাত্রীকে লেগুনায় বাদুড়ঝোলা হয়ে যেতে দেখা গেছে। বসিরা নামে এক যাত্রী জানান, যাত্রাবাড়ীতে তার বাসা। অফিস তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকায়। গাড়ি না পেয়ে পাঠাওতে অফিসে যাচ্ছি।
অপরদিকে, রাজধানীর প্রায় সব এলাকার প্রধান সড়কের দুই পাশের বেশিরভাগ দোকান বন্ধ দেখা গেছে। কিছু দোকান খুললেও শাটার অর্ধেক খোলা রয়েছে। কোথাও কোথাও আবার দোকানের সামনে মালিকরা অপেক্ষা করছেন পরিস্থিতি বোঝার জন্য।


