ছাত্রদলের চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির টাকায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচন করার অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি এ কে এম রাকিবের বিরুদ্ধে। অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জাতীয় ছাত্র শক্তির (বাগছাস)জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক মো. ফয়সাল মুরাদ।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) নিজের এক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এসব লেখেন ফয়সাল।

তিনি বলেন, আপনার অনেক স্টান্টবাজি আমি দেখেছি। আপনি এবং আপনার সেক্রেটারির রাজনীতি বলতে এনসিপির সমালোচনা ছাড়া আর কিছু চোখে পড়েনি। চোরের মায়ের বড় গলা শোভা পায় না। ছাত্রদলের কোলে উঠে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির কোটি কোটি টাকা খরচ করে জকসু নির্বাচন করেছিলেন।

ফয়সাল আরও বলেন, ছাত্রদলের সঙ্গে জোটের প্রস্তাব আমি আপনার আগেই পেয়েছিলাম। কিন্তু জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণা হবে দেখে সেই জোটে যাইনি। ছাত্রদল ও শিবিরের বাইরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি স্বতন্ত্র শক্তি গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখেছিলাম। আপনারাই সেই স্বপ্ন ভেঙে চুরমার করে দিয়েছিলেন। এটার ভুক্তভোগী আজকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

শাখা ছাত্রশক্তির যুগ্ম-আহ্বায়ক ফেরদৌস শেখ লেখেন, দুর্নীতির টাকায় যে নির্বাচন করছেন, সেটি নিয়েই আগে জনগণের সামনে একটি বক্তব্য দিন। নিজেদের দল বিক্রি করে অন্যের দালালিতে ব্যস্ত থাকলে, জাকসুর মতো জাতীয় নির্বাচনেও জনগণ আপনাদের স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করবে। অন্যদের সাফল্য দেখেই ভাইটির অন্তরে জ্বালা শুরু হয়েছে।

এর আগে, এদিন এ কে এম রাকিব নিজের ফেসবুকে লেখেন তার বিরুদ্ধে কোনো দুর্নীতি, ধর্মব্যবসা কিংবা জুলাই বিক্রির ইতিহাস নেই। এবিষয় উল্লেখ করে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেওয়ার কথা লেখেন তিনি।