বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে পাওয়ার জন্য জীবন দেওয়া বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে শহিদ মিনারে করে শ্রদ্ধা নিবেদন করে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাব।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) প্রথম প্রহরে শহিদ মিনারের বেদীতে পুস্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানান প্রেসক্লাবের সদস্যবৃন্দ। এসময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক আমিরুল বাপন, দপ্তর, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ রোহান চিশতীসহ অন্যান্য কার্যনির্বাহী সদস্য ও সাধারণ সদস্যরা। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মোঃ মিজানুর রহমান, প্রক্টর ড. মাহবুবুর রহমান ও জনসংযোগ দপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক হাফিজুর রহমান।
পুষ্পস্তবক অর্পণের পর সকলে ১৯৫২ সালের বীর ভাষা শহিদদের স্মৃতির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাতে সেখানে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন।
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের সভাপতি জিহাদুজ্জামান জিসান বলেন, ২১ ফেব্রুয়ারি বীর শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি আমাদের কাঙ্ক্ষিত মাতৃভাষা বাংলা। ভাষা আমাদের আবেগ, আমাদের ভালোবাসা। যে বীর সন্তানেরা তাদের জীবনের বিনিময়ে এই ভাষা আমাদের ফিরিয়ে দিয়েছে, আজকের এই দিনে সেই বীরদের জানাই শ্রদ্ধা ও সালাম।
তিনি আরও বলেন, আমরা যেনো আমাদের এই মাতৃভাষার মান সমুন্নত রাখতে পারি সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। আমাদের বাংলা ভাষার অপপ্রয়োগ খুব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ভাষা প্রয়োগে সচেতন হব সবাই এই প্রত্যাশা করি। ভাষার অপব্যবহার রোধ হোক আমাদের এ দিবসের অঙ্গীকার।
প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. শাহাদাৎ হোসেন বলেন, আজ মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ১৯৫২ সালের এই দিনে ভাষা শহিদরা বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দিতে জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। আমরা গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছি সেই সকল বীর শহিদদের।
তিনি আরও বলেন, UNESCO ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ায় এ দিনটি বিশ্বব্যাপী মর্যাদা পেয়েছে। নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাব শুদ্ধ বাংলা চর্চা, ভাষার মর্যাদা রক্ষা এবং ভাষা আন্দোলনের চেতনা নতুন প্রজন্মের মাঝে পৌঁছে দেওয়ায় সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।



মন্তব্য করুন