‎বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের দীর্ঘদিনের পদোন্নতি জট নিরসন এবং ৩৮তম ব্যাচ পর্যন্ত যোগ্য কর্মকর্তাদের আর্থিক সুবিধাসহ ভূতাপেক্ষ পদোন্নতির দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন প্রভাষকরা।
‎
‎রবিবার (২৮ জুন) সকাল ১১টায় কবি নজরুল সরকারি কলেজে নতুন জামে মসজিদের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের সময় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের মাধ্যমে এ স্মারকলিপি প্রধানমন্ত্রীর নিকট পাঠানো হয়।
‎
‎স্মারকলিপিতে বলা হয়, শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতি বৈষম্যের শিকার। একই সময়ে নিয়োগপ্রাপ্ত অন্যান্য ক্যাডারের কর্মকর্তারা সিনিয়র স্কেল ও উচ্চতর পদে উন্নীত হলেও শিক্ষা ক্যাডারের অনেক কর্মকর্তা এখনো পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। এতে তাদের পেশাগত অগ্রগতি ও আর্থিক সুবিধা ব্যাহত হচ্ছে।
‎
‎স্মারকলিপিতে শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের কাঠামোগত ও আর্থিক প্রান্তিকতার বিষয়টি তুলে ধরে বলা হয়, সমসাময়িক অন্যান্য ক্যাডার কর্মকর্তা, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, নন-ক্যাডার কর্মকর্তা এবং ব্যাংকিং খাতের সমপর্যায়ের পেশাজীবীরা নিয়মিত পদোন্নতি ও বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা ভোগ করলেও শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তারা একই ধরনের সুযোগ-সুবিধা থেকে দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চিত রয়েছেন। এর ফলে মেধাবীরা শিক্ষা ক্যাডারে যোগদানে নিরুৎসাহিত হচ্ছেন বলেও উল্লেখ করা হয়।
‎
‎এতে আরও উল্লেখ করা হয়, পদোন্নতি জট নিরসনে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ‘সুপারনিউমারি পদ’ সৃষ্টির উদ্যোগ নিলেও সংশ্লিষ্ট ফাইল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। দ্রুত এ উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে ৩৮তম ব্যাচ পর্যন্ত যোগ্য কর্মকর্তাদের আর্থিক সুবিধাসহ ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি দেওয়ার দাবি জানানো হয়।
‎
‎৩৬তম বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের প্রভাষক সচিব তালুকদার বলেন, আমরা ২০১৮ সালে চাকরিতে যোগদান করলেও আজও পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত। অথচ অন্যান্য ক্যাডারের ৩৮তম বিসিএস কর্মকর্তারাও ইতোমধ্যে পদোন্নতি পেয়েছেন। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্যাংক খাতে ২০২১ সালে যোগদানকারী অনেক কর্মকর্তাও পদোন্নতি লাভ করেছেন। অথচ আমরা দীর্ঘ আট বছর ধরে একই পদে কর্মরত রয়েছি। এই বৈষম্য আমাদের জন্য অত্যন্ত হতাশাজনক।