মানসিক চাপ, নিয়ম মেনে না খাওয়া, অনিয়মিত ঘুমসহ ইত্যাদি নানা কারণে মাইগ্রেনের ব্যথা হতে পারে। জিনগত কারণ, হরমোনের পরিবর্তনেও মাইগ্রেনের ব্যথা হতে পারে। কখনো কখনো ওষুধেও এই ব্যথা সারে না। তবে বেশ কিছু খাবার আছে, যা মাইগ্রেনের সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে। জেনে নেওয়া যাক সেই খাবারের তালিকা –

* পানি ও ফলের রস: ডিহাইড্রেশন মাইগ্রেনের অন্যতম কারণ। মাইগ্রেনের রোগীরা পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি, লেবুর রস, আমলা, চা, অ্যালোভেরা ফলের রস পান করলে উপকার পাওয়া যায়।

* সবুজ শাক-সবজি: মাইগ্রেনের জন্য অ্যান্টি-অক্সিডেন্টযুক্ত খাবার খুবই দরকার। ম্যাগনেশিয়াম যুক্ত খাবার মাইগ্রেনে রোগীদের জন্য খুবই উপকারী। যেমনটা বলা যেতে পারে, পালংশাকে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেশিয়াম থাকে। যদি মাইগ্রেনের সমস্যা থাকে তাহলে বেশি বেশি পালংশাক কিংবা সবুজ শাক খেতে পারেন।

* বাদাম: বাদামে থাকে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, যা মানসিক চাপ কমাতে এবং স্নায়ুর চাপ কমাতে সাহায্য করে। এ ছাড়া বাদামে থাকে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা মাথা ব্যথা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই মাইগ্রেন রোগীদের নিয়মিত বাদাম খাওয়া দরকার।

* ডার্ক চকোলেট: চকোলেট ছোট-বড় সকলের পছন্দের। একটি চকোলেট দিয়ে যেমন কারো মনের ব্যথা কমানো যায় ঠিক সেভাবেই একটি চকোলেটের মধ্যে রয়েছে সেই গুণ, যা অসহনীয় মাইগ্রেনের ব্যথা থেকেও মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

* লবঙ্গ: সর্দি হোক বা কাশি বা গলার ব্যথা, সব রোগের একমাত্র ওষুধ ধরা হয় লবঙ্গকে। তাই সব সময় একটি লবঙ্গ সাথে রেখে দেওয়া উচিত। যখনই মনে হবে মাথা যন্ত্রণা হচ্ছে এটি খেয়ে নিতে হবে। আর পাওয়া যাবে সুফল।

নির্দিষ্ট খাবার বা ওষুধ মাইগ্রেনের জন্য বলা কঠিন। যদি এটি খুবই সমস্যা করে থাকে তাহলে এগুলো খাওয়ার আগে অবশ্যই নিউট্রিশনিস্টের পরামর্শ নিয়ে নিতে হবে।